মো: সোহেল রানা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় গাজীপুর–৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন ঘোড়া প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন।
নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, সারাদেশের মতো গাজীপুর ৩ আসনেও নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনী মাঠে।
তিনি শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘোড়া প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।
প্রচারণাকালে দেখা যায়, অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন এবং তাদের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন। এ সময় ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। অনেক ভোটার দোকান থেকে উঠে এসে তার সঙ্গে কথা বলেন, দোয়া করেন এবং ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এমনকি রিকশাচালকরাও রিকশা থামিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন।
প্রচারণা ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভোটাররা বলছেন, তারা যোগ্য প্রার্থীকে সংসদে পাঠাতে চান, যাতে গাজীপুর ৩ আসনের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত হয়।
প্রচারণার ধারাবাহিকতায় আজ ৩রা ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ও গাজীপুর ইউনিয়ন এলাকার বেশ কয়েকজন ভোটাররা প্রার্থী কে প্রশ্ন করেন, আমরা চাই সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক, দূর্নীতি মুক্ত ও চাঁদাবাজ মুক্ত সংসদ সদস্য। আপনি কি পারবেন এমন হতে?
ভোটারদের প্রশ্নের জবাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন বলেন, আমি আপনাদের শতভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারি আমার মধ্যে এ-ই অন্যায় কাজ গুলো কখনই পাবেন না।যদি থাকতো তাহলে বৃহত্তর ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়নের জনগণ আমাকে বার বার ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতো না।এমন কি সর্বশেষ গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যানও আপনারাই ভোট দিয়ে বানিয়েছেন। আমি আবারও বলি আমার ভেতর কোন প্রকার মিথ্যা, অন্যায়, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি পাবেন না ইনশাআল্লাহ।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, কোন নির্বাচনী প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালাতে পারবে কি না?
প্রশ্ন উত্তরে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন বলেন, মসজিদ বলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণা মূলত সাংঘর্ষিক হয়ে যায়।তাই আমি মনে করি এ-ই কাজ না করাই ভালো।