লিয়াকত হোসেন রাজশাহী:
রাজশাহী পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড ইমাদপুর নতুনপাড়া এলাকায় এইচএসবি (HSB) ইটভাটায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভাটায় অবাধে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, হাইব্রিড হফম্যান, জিগজ্যাগ ও ভার্টিক্যাল শ্যাফট কিলন পদ্ধতির চিমনি বা পরীক্ষিত নতুন প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব ইটভাটা স্থাপন করতে হবে। এ ছাড়া ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালালি কাঠ ব্যবহার করলে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং অনধিক তিন লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
ইট ভাটার মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ বা প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। তারা প্রশাসনের জরুরী দৃষ্টি কামনা করেছেন। এছাড়াও এই উপজেলায় অসংখ্য ইটভাটায় কয়লার পরিবর্তে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ।
জানা যায়, ইমাদপুর নতুন অয়াড়া সংলগ্ন মেসাস এইচিএসবি ব্রিকস’ নামের অবৈধ ইটভাটা এটি। এর নেই কোনো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। উক্ত ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় পার্শ্ববর্তী বাড়ীর লোকজন মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্শ্ববর্তী বাড়ীর লোকজন জানান ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় তাদের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। স্থানীয় লোকজন জানান ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার পাশেই গড়ে উঠা ইটভাটার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকার বাসিন্দারা।
ভাটার ভিতরে কাঠ ছোট বড় করার জন্য করাতকল ব্যবহার করে প্রতিদিন পোড়ানো হচ্ছে হাজার হাজার মণ কাঠ।
গত সোমবার দুপুরে সরেজমিনে এইচিএসবি ব্রিকসে গেলে এর সত্যতা পাওয়া যায়।
ইট ভাটা মালিকের ছেলের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্যতায় ভরা। ভাটার শ্রমিকরা বলেন মালিকপক্ষের নির্দেশে কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে।
পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লসমী চাকমা জানান, অবৈধ ইটভাটাগুলোকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে অবশ্যয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহমুদা পারভীন বলেন, আমরা নিয়মিত অবৈধ ইট ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি।