শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মহিপুর ও আলিপুর বাজারে অবৈধ দখলদারদের হীরক ব্যবসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও খাস জমি বিক্রি ও বহুতল ভবন নির্মাণ শ্রীপুরে দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, অসহায়দের পাশে ইসমাইল হোসেন ফাউন্ডেশন গফরগাঁও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  ভেড়ামারায় পানিতে ডুবে ১ জনের মৃত্যু শ্রীপুরে ২২ কোটি টাকার ৭ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, জনদুর্ভোগ লাঘবের প্রত্যাশা বহু ভাষাবিদ, অনুবাদক কবি মাহমুদুল হাসান নিযামী আর নেই  বঙ্গোপসাগর থেকে ৩টি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোটসহ ৩৭ জেলে আটক  ঈদে সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে অপো এ৬এস প্রো ঐক্য ও সংগঠন শক্তিশালী করার আহ্বান -কুয়াকাটা পৌর বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সড়ক দূর্ঘটনায়  প্রান গেল কয়রার শিশু কন্যা রাবেয়ার

কিশোরগঞ্জে কালের সাক্ষী, মোঘল আমলের দুই কাতার মসজিদ

রিপোর্টারের নাম / ১৯৭ টাইম ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩, ৮:৪২ অপরাহ্ণ

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি।

 

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ী এলাকায় মোঘল আমলের ২কাতার, তিন গম্বজ,জামে মসজিদ।

দেশের অন্য উপজেলার মতো কিশোরগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে নতুন-পুরনো অনেক মসজিদ। ঠিক তেমনই দুই শত বছরের পুরনো মোঘল আমলের একটি মসজিদ পুটিমরী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ী জামে মসজিদ। কিশোরগঞ্জ

উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে পুটিমারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর এলাকার বড়বাড়ী জামে মসজিদটি অবস্থিত।

দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ সমৃদ্ধ মসজিদটি দেখে ও জানা যায়, মোঘল আমলে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।মসজিদটিতে রয়েছে সুদৃশ্য ৩টি গম্বুজ  ও ৪টি মিনার। মূল অংশের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের গম্বুজের চেয়ে মাঝের মাঝের গম্বুজ টি একটু বড়। মসজিদটির দুই পাশে রয়েছে কবরস্থান ও সামনে রয়েছে  একটি কুয়া। যার পানি দিয়ে  মুসল্লীরা এক সময় অযু করত। এই গম্ভুজ গুলোর মতই মোঘল আমলের মসজিদের গম্বুজের সঙ্গে মিল রয়েছ ।তাই অনেকে একে মোঘল মসজিদও বলে থাকে।

মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যথক্রমে ২৩ ও ১৭ হাত। প্রতিটি দেয়ালের পুরুত্ব প্রায় আড়াই হাত। মসজিদটির মূল অংশে রয়েছে ৩টি করে দরজা, যার ওপর রয়েছে কারুকাজ। জানা যায়, মসজিদটি নির্মাণে ব্যাবহার করা

হয়েছে চুন, সুরকি ও সাদা সিমেন্ট।মসজিদটির পূর্ব পশে রয়েছে সুউচ্চ মিনার, যার কারুকাজও চোখে পড়ার মতো।আর সামনে রয়েছে একটি কুয়া। শত বছর ধরে ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে টিকে আছে মসজিদটি; কিন্তু মুসলিম ঐতিহ্যের চোখ জুড়ানো এই শৈল্পিক স্থাপনাটি সংস্কারেরঅভাবে দিন দিন মলিন হয়ে যাচ্ছে।

মসজিদটির সভাপতির দায়িত্বে থাকা রঞ্জুমাষ্টার  বলেন, আমার দাদার আমলে মসজিদে নামাজ পড়ার জায়গা না হওয়ায় সামনের অংশ সাদ ঢালাই দিয়ে বৃদ্ধি করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সব ঠিক রেখে‘বর্তমানে আমরা মসজিদটির কিছু অংশ সংস্কার কাজ করেছি। কিন্তু মসজিদের ভিতর ও বাইরের সংস্কার কাজ করাটা অনেক ব্যয়বহুল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর