আলমগীর হোসেন সাগর:
মাহফিলের ১ সপ্তাহ আগে থেকে মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চা ছেলেরা গাড়ি থামিয়ে, বাজারে বাজারে, গ্রামে গ্রামে গিয়ে টাকা উঠালো ।
আয়োজক কমিটি, বড় বড় দুর্নীতিবাজ,
ঘুষখোর, সুদখোরদের থেকে ডোনেশন নিলেন।
অতঃপর মাহফিলের দিন… তিনি হেলিকপ্টারে উড়িয়া আসিলেন, হেলিকপ্টার থামিলো, দেখিলাম হুজুর হেলিকপ্টার হইতে অবতরণ করিলেন, অতঃপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে উন্নতমানের নাস্তা গলাধঃকরণ করিয়া হুজুর স্টেজে উঠিলেন।
তারপর চোখের পানি ছেড়ে দিয়া কান্দিয়া কান্দিয়া, নবীজি (সাঃ) কীভাবে খেজুরের পাটিতে শুইতেন, কীভাবে পায়ে হেঁটে হেঁটে শত শত মাইল ভ্ৰমণ করিয়া ইসলামের দাওয়াত দিতেন,
কীভাবে প্রায়শই অনাহারে অর্ধাহারে থাকিতেন, বয়ান করিলেন। অতঃপর বয়ান শেষে গলা পর্যন্ত উদরপূর্তি করিয়া তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলিয়া ১ লাখ টাকার ২টা বান্ডিল পকেটে পুরিয়া, আবার হেলিকপ্টারযোগে প্রস্থান করিলেন।
আর আমরা মাশাআল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ
বলিতে বলিতে বাড়ির পথে রওয়ানা হইলাম! অতঃপর সকাল ১২টায় ঘুম থেকে উঠিয়া দোজাহানের অশেষ নেকি হাসিল করিলাম।
বাহ – বাহ – বাহ !
কি দারুণ বার্ষিক বানিজ্য