বিশেষ প্রতিনিধি :
খুলনা থেকে খোয়া যাওয়া ১৬ টন সরকারি চাউল অভয়নগর থানা পুলিশের সহোযোগিতায় নওয়াপাড়া থেকে উদ্ধার করেছে খুলনা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত নওয়াপাড়া পৌর যুবলীগের আহবায়ক হাসান আলী গাজী সহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার যশোর জেলার ঝিকরগাছা ও অভয়নগরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে ধৃত আসামিদের দেওয়া তথ্য মতে খোয়া যাওয়া সরকারি চাউল উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, খুলনা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সরকারি খাদ্য শস্য সরবরাহকারী এমকে ইন্জিনিয়ারিং এন্ড বিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে গত ২৪ জানুয়ারি ফার্মের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ঢাকা মেট্রো ট ২০—৮০৭৫ কাভার্ড ভ্যানে ৪ নং ফুড ঘাট ডি—ইন ভয়েস নম্বার ৩৬৩৩৮০১ এ ফরিদপুর জেলার অম্বিকাপুর এলএসডি গোডাউনে পাঠানো হয়। কিন্তু সংঘবদ্ধ প্রতারক ও চোর চক্র চাউল যথাস্থানে না পৌঁছে তা গায়েব করে দেয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী মোস্তফা কামাল খোকন খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ আলোচনা করে ৩০ জানুয়ারি ছয় জনের নাম উল্লেখ সহ ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে খুলনা কেএনপি থানায় মামলা করে। পুলিশের তদন্তে খুলনার জোড়াগেট এলাকার হাসেম আলীর পুত্র মোঃ ইমান আলী (৪৬) এর জড়িত থাকার প্রমান মিললে গত শুক্রবার ঝিকরগাছা কাটাখালি পালপাড়া থেকে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্য মতে পুলিশ জানতে পারে নওয়াপাড়া পৌর যুবলীগের নেতাদের অধিনে খোয়া যাওয়া চাউল গুলো আছে। পরে তার তথ্যমতে অভয়নগর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নওয়াপাড়া পাঁচ কবর এলাকার আলী আহম্মেদ গাজীর পুত্র ও নওয়াপাড়া পৌর যুবলীগের আহবায়ক হাসান আলী গাজী (৫০) ও নওয়াপাড়া (দক্ষিণ) এলাকার মোজাফফর আলী হাওলাদারের পুত্র মোঃ হালিম হাওলাদার (৫২) কে আটক করে তাদের দেওয়া তথ্য মতে নওয়াপাড়া এলাকার শাজাহান মোল্লার গলীর ভেতরে শাহীন মোল্লার বাড়ির নিচতলা গোডাউন থেকে খোয়া যাওয়া চাউল উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকতা এস আই মোল্লা জুয়েল রানা আসামিদের গ্রেফতারের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এই চক্রের সাথে জরিত আরো কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছি তাদের ব্যাপারে তদন্ত চলছে।