রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ভেড়ামারায় নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন  কোনাবাড়ীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ভাড়াটিয়া দম্পতির উপর হামলার অভিযোগ তিস্তা বাচাই আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক দুলু নির্বাচিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ ভেড়ামারায় অতর্কিত হামলায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ঘিরে ফুলের দোকানে ভিড় নবনির্বাচিত এমপি প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলেল শুভেচ্ছা  ফুলে ফুলে সেজেছে বসন্ত যোগ্য পিতার উত্তরসূরি রাফসান ইসলাম: আবুল কালামের বিজয়ে নেপথ্য ভূমিকা

খুলনা-৬ আসনে বিএনপির ত্যাগী নেতা রফিককে তৃণমূলের জনগণ প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়

মুক্তার হোসেন কয়রা খুলনা প্রতিনিধি / ১২৭ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, অক্টোবর ৮, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ

মুক্তার হোসেন কয়রা (খুলনা)প্রতিনিধি 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ত্যাগী রাজনীতিক রফিকুল ইসলাম রফিক। দীর্ঘদিন ধরে দলের দুঃসময়ে মাঠে থাকা এই নেতাকে এখন এলাকার সাধারণ মানুষ বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়।

জাতীয়তাবাদী পরিবারে বেড়ে উঠা থেকে ছাত্রজীবনে জড়িয়ে পড়েন বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনীতিতে। তিনি ছিলেন ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-দপ্তর সম্পাদক, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতি। পরে তিনি বিএনপির সারা দেশব্যাপী সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির খুলনা জেলার টিম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনীতিতে আদর্শ ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রফিকুল ইসলাম রফিক। আওয়ামী সরকারের দমন-পীড়নের সময়েও যখন অনেক নেতা মাঠে ছিলেন না, তখন কয়রা-পাইকগাছার রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনিই। তাঁর নেতৃত্বে অসংখ্য মিছিল-মিটিং হয়েছে, যার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে ১১টি নাশকতার মামলা। পরিবারসহ নানা হুমকি ও চাপের মুখেও তিনি দমে যাননি, তাঁর আপন ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম নাশকতা মামলায় ৮ মাস জেল খেটে দলের পতাকা উঁচু রেখেছেন দৃঢ় হাতে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপত্র কিনলেও দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বেচ্ছায় প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ান। দলের স্বার্থে নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেওয়ার এই দৃষ্টান্ত তাঁকে আজ তৃণমূলের কাছে ‘ত্যাগী নেতা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

রফিকুল ইসলাম রফিক নিয়মিত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন দলের জন্য। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি মানুষের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছেন ঘরে ঘরে। এলাকায় তার পরিচিতি এখন শুধু রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, বরং মানুষের আপনজন হিসেবে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি অনুপ্রেরণার প্রতীক।

স্থানীয়দের ভাষায়, “রফিক ভাই শুধু নেতা নন, তিনি আমাদের পরিবারের মানুষ। দুঃসময়ে, বন্যায়, বিপদে-আপদে তিনিই সবার আগে ছুটে আসেন।” কয়রা-পাইকগাছার প্রতিটি গ্রামে তাঁর নাম এখন বিএনপির আশা হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ঘের দখল, তদবির বাণিজ্য বা নারী কেলেঙ্কারির কোনো অভিযোগ বা রেকর্ড নেই। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের নেতা ।

তাঁর ভিশন ও পরিকল্পনাও স্থানীয় উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত—আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নদী ভাঙন রোধে কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। মেধাবী ও গরিব শিক্ষার্থীদের বিনা ডোনেশনে শিক্ষা লাভের সুযোগ নিশ্চিত করা। এলাকার হাসপাতালগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

নিজের রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে পদ নয়, এটি জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার। আমি দলের জন্য যে ত্যাগ দিয়েছি, সেই মূল্য জনগণ নিশ্চয়ই দেবে। আমি চাই, কয়রা-পাইকগাছার মানুষ উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের অধিকার পাক—এই লক্ষ্যেই আমি রাজনীতি করি।

খুলনা-৬ আসনের রাজনীতিতে টেকসই একটি আলোচিত নাম রফিকুল ইসলাম রফিক। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই ত্যাগী নেতা আজ মানুষের আস্থা, ভালোবাসার প্রত্যাশার প্রতিক হয়ে উঠেছেন। এলাকাবাসীর দাবি তাকে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর