রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ভেড়ামারায় নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন  কোনাবাড়ীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ভাড়াটিয়া দম্পতির উপর হামলার অভিযোগ তিস্তা বাচাই আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক দুলু নির্বাচিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ ভেড়ামারায় অতর্কিত হামলায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ঘিরে ফুলের দোকানে ভিড় নবনির্বাচিত এমপি প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলেল শুভেচ্ছা  ফুলে ফুলে সেজেছে বসন্ত যোগ্য পিতার উত্তরসূরি রাফসান ইসলাম: আবুল কালামের বিজয়ে নেপথ্য ভূমিকা

গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে কর্মচারীর অবহেলায় প্রান গেলো অবুঝ শিশুর

রিপোর্টারের নাম / ১৮৭ টাইম ভিউ
আপডেট : সোমবার, মার্চ ১৩, ২০২৩, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ

মোঃ নাজমুল হাসান নাজির

 

হায়রে মানবতা, আজ কোথায় তুই,,,গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে মাত্র ১৫ টাকার ভর্তি ফি পরিশোধে ব্যার্থ হওয়ায়, জন্মদাতা পিতার সামনে জীবন দিতে হইলো এক অবুঝ শিশুকে।

ঘটনার সুত্রপাতঃ গাইবান্ধা পুরাতন বাদিয়াখালি রোডে বাচ্চাটি রাস্তা পারাপারের সময় সিএনজির সাথে এক্সিডেন্ট করে গুরুতর আহত হয়।

পরবর্তীতে বাচ্চাটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় অটো রিক্সায় করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন বাবা।

বাচ্চাটিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেয়া হইলে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। বাচ্চার শ্বাসকষ্ট দেখে বাবা হাসপাতালে ছোটাছুটি করেন অক্সিজেন সরবরাহের জন্য।

গাইবান্ধা সরকারি হাসপাতালের একজন কর্মচারীকে অক্সিজেন দিতে বললে, সেই কর্মচারী ১৫ টাকার ভর্তি ফি দাবি করে। তাছাড়া অক্সিজেন দেয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

পরবর্তীতে বাচ্চার বাবা সেই কর্মচারীকে বলে, আংকেল আমি তো খালি গায়ে আসছি শুধু একটা ট্রাউজার পরে। আমি তো সঙ্গে টাকা নিয়ে আসি নাই। আপনি অক্সিজেন দেন। আমার ভাই টাকা আনতেছে। কিন্তু হাজারো অনুরোধ করার পরেও সেই কর্মচারী কোন মতেই টাকা ছাড়া অক্সিজেন দিতে রাজি হইলো না।বাচ্চার বাবা এবং সেই কর্মচারীর মধ্যে ১৫ টাকার মূল্য পরিশোধে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়, নিষ্পাপ মাসুম বাচ্চাটি অক্সিজেনের অভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মানবতার কতটা অবনতি হইলে এরকম তরতাজা একটি জীবন সামান্য কয়েকটা টাকার জন্য ছেড়ে দিতে হয়।

আমি গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক এবং সিভিল সার্জন মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।

এই খুনির বিচার চাই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর