ওয়াসিম আকরাম, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নং ওয়ার্ডের বাউপাড়া(খোলারটেক) এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
অদ্য শুক্রবার বেলা ৯ঃ৩০ ঘটিকার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা মত অসহায় হামেদ খানের পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালায় একই গ্রামের মোঃ মালেক খান পরিবার।
এই হামলায় হামেদ খানের পরিবারের নারী-পুরুষ ৭ জন গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় জনতা তাদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অনত্র রেফার্ড করেন।গুরুতর আহতরা হলেন মোঃমোবারক হোসেন ও ফারুক খান।
বাকী আহতরা হলেন,
৩.হামেদ খান ৪.ওয়াসিম খান ৫.ফজিরন নেছা(হামেদ খানের স্ত্রী) ৬.লাকী বেগম(ফারুক খানের স্ত্রী) ও ৭.ওয়াসিমের স্ত্রী।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোঃনয়ন মিয়া বলেন,”আমি দেখেছি হামলায় জড়িত মোঃ সাদ্দাম খান রামদা নিয়ে ভুক্তভোগী ওয়াসিম খান কে লক্ষ করে কোপ দেয়, ওয়াসিম সরে গেলে কোপটা সিমেন্টের খুঁটিতে লাগে।পরে তাকে বেধরক মারধর করা হয়। এছাড়াও সবার কাছেই ছিলো দেশীয় অস্ত্র।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন,
“হামলায় অভিযুক্ত ১.মোঃজামান খান ২.সাদ্দাম খান ৩.ইসরাফিল খান ৪.নাঈমুল খান ৫.শাহীন (মালেক খানের মেয়ে জামাতা)
৬.আব্দুল মালেক খান
৭.ভারাটে সন্ত্রাসী শাকিল পিতাঃঈমান আলী
সাংকাউলতিয়া সহ আরও কয়কজন অজ্ঞাত কয়েকজন হেলমেট পরিহিত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হইয়া হামেদ খানের পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তাদের পরিবারের ৬জন এবং হামলা ফিরাতে গিয়ে একজন মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হয়।
পরে এলাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে হামলাকারী দুইজনকে আটক করে রাখে।
এ বিষয়ে আহত মোবারক হোসেনের বড় ভাই আব্দুল কাদের সরকার বলেন,” আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাতের কারনে মাথা ফেটে যায়।সে এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।আমার ভাই মারমারি ফিরাতে গিয়েছিল। কিন্তু তাকে কেন এই ভাবে আঘাত করা হলো আমি এর বিচার চাই।”
ঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ জামান খান বলেন, ”
আমাদের পরিবারে জমি নিয়ে দীর্ঘ দিনের সমস্যা চলমান আছে। আজকে হঠাৎ করে একটা মারামারি হয়েছে।এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। “