মোঃনাসির উদ্দিন গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তার ফ্লাইওভার ব্রীজের নিচেসহ রাস্তা ও ফুটপাত থেকে গতকাল বিকেলে হকারদের উচ্ছেদ করার পর আজ ২৮ সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে হকাররা পণ্য নিয়ে আবার ফুটপাত ফ্লাইওভার ব্রীজের নিচে বসেছিলেন।
পরে দুপুরে জিএমপি বাসন মেট্রো থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শাহীন খানের নির্দেশে বাসন মেট্রো তদন্ত কর্মকর্তা(তদন্ত ওসি) এসআই দুলালসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান দেওয়ার সময় তাঁদের অনেকেই মালপত্র নিয়ে সরে যান। পরে হকারদের দোকান করার আসবাপত্রগুলো গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় বাসন মেট্রো থানা পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ বলেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার দিকে বাসন মেট্রো থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজীপুর চৌরাস্তার মহাসড়ক গাড়ি নিয়ে টহল দিয়ে হকারদের সরে যেতে বলার পরেও আজকে আবারো রাস্তার দুই ধারে, ফুটপাতে ও ফ্লাইওভার ব্রীজের নিচে বসা হকারদের উচ্ছেদ করে।
পথচারীরা বলেন, প্রতিদিন হকাররা রাস্তার দুই ধারে ও ফ্লাইওভার ব্রীজের নিচে পণ্য সাজিয়ে বসেন। এছাড়াও রিকশা-ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন গাড়ি রাস্তায় রাখা হয়। ফলে এখানে দিনরাত যানজট লেগে থাকে। এসবের কারনে চৌরাস্তায় ছিনতাইকারী, পকেটমার ও দেহব্যবসায়ী নারীরা সুবিধাজনক অবস্থায় থাকেন। মহাসড়কের এসব হকার না থাকলে এসব অপকর্ম আর করতে পারবে না তারা। পথচারীরা জিএমপি বাসন মেট্রো থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন তিনি অত্যন্ত একটি ভাল কাজ করেছেন হকার উচ্ছেদ করে। জিএমপি বাসন মেট্রো থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা আজ দুপুরে ভোরের আলোকে বলেন, গাজীপুর চৌরাস্তায় জয়দেবপুর সড়ক, গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রাস্তার দুই ধারে ফুটপাতে ও ফ্লাইওভার ব্রীজের নিচে কোনোভাবেই বসতে দেওয়া হবে না। গতকাল বিকালে গাজীপুর চৌরাস্তায় হকারদের উচ্ছেদের পর আজ সকালে তাঁরা আবার ফুটপাতে বসেছিলেন। তাঁদের ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ করতে এ অভিযান চালানো হয়।
বাসন মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন খান ভোরের আলোকে বলেন, এখন থেকে প্রতিদিনই মনিটরিং করা হবে। আর যেন কোনো হকার রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসতে না পারেন।