পীরজাদা মোঃ মাসুদ হোসেন
২০১৫ সালের জুলাই মাস থেকে চাঁদপুর জেলার ১৪৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সরকারী ভাতা বন্ধ রয়েছে। তারা সকলেই জেনারেল ওসমানী কর্তৃক সার্টিফিকেটধারী। ভাতা বন্ধ হওয়ার পরে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধারা মহামান্য হাইকোর্টেে রীট করেন। রীট পিটিশন নং ৭৮৮/১৬। মহামান্য হাইকোর্ট মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে রায় দেন। সরকার পক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করেন। অ্যাপিলেট ডিভিশনও মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে রায় দেন। রায়ের পর মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয় যাচাই-বাছাই করছেন। মামলা চলাকালীন সময়ে ভুক্তভোগী ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধাদের নাম গেজেটভুক্ত হয়ে যায়। বাকি ১শ মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটভুক্ত না হওয়ায় তারা হতাশ, তাদের প্রশ্ন- মামলা চলাকালীন সময়ে কিভাবে ৪৯ জনের নাম গেজেটভুক্ত হলো, বাকিদের দোষ কি। এর মধ্যে শুধু ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাদ পড়া ৪৪ জনের মধ্যে মামলার মুল বাদীসহ ১১ জনের গেজেট হয়। তারা হচ্ছে মোঃ শফিকুর রহমান, মোঃ হোসেন, উষ রঞ্জন, আবু তাহের মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, আঃ হাই, হেফজুর রহমান, মোখলেছুর রহমান, কাজী তোফায়েল, আবুল হোসেন তালুকদার। বাকীদের গেজেট না হওয়ার বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা। তাদের প্রশ্ন, তাদেরকে বাদ দিয়ে কিভাবে ৪৯ জনের গেজেট হলো। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা ফরিদগঞ্জের মঞ্জুর আহমেদ ও আলী আহমেদ জানান, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ভারতে প্রশিক্ষন নিয়ে জীবন বাজি রেখে রনাঙ্গনে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। ভাতা বন্ধ হওয়ায় বৃদ্ধ বয়সে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।