সুমন গাজী:
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের দশ গ্রামে সম্প্রতি ৭৯টি গরু মহিষ চুরি হয়েছে। এলাকার কৃষকদের এখন রাত কাটে নির্ঘুম। ক্রমেই ক্ষুব্ধ হচ্ছে এলাকা বাসী। গরুচুরির প্রতিবাদে রবিবার বিকেলে উপজেলার বাউনী বাজারে প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ভূক্তভোগী কৃষক,জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। গোসিংগা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি মো. তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ভূক্তভোগী কৃষকগণ। বক্তারা বলেন, পুলিশ রাতে টহল দেয়। সাধারণ মানুষের চলাচলে নজরদারী করে। চোর নিরাপদে গরু নিয়ে যায় তাদের নজরে পড়েনা। থানায় গরু চুরির অভিযোগ দিলে হয়রানি হতে হয়। চোর ধরে থানায় দিলে চালান হয় সন্দেহ ভাজন হিসেবে। আমরা এলাকার কৃষকগণ অসহায় হয়ে পরেছি। আমরা কার কাছে বিচার চাইবো। আমাদের পাশে কেউ নেই। এক জন কৃষকের সম্বল গরু। তাও এক রাতেই চুরি হয় গোহাল শূন্য করে। ভূক্তভোগীরা কৃষকদের বাঁচাতে অবিলম্বে গরুচুরি বন্দের দাবী করেন।
সভার প্রধান সমন্বয়ক গাজীপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বলেন, গোসিংগা ইউনিয়নের দশটি গ্রামে সম্প্রতি আশংকাজনক ভাবে গরু চুরি হচ্ছে। রাত জেগে পাহাড়া দিয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছেনা। সম্প্রতি পটকা, কর্ণপুর, বাউনী, হায়াতখারচাল, বেড়াবাড়ি, চাওবন, লতিফপুর, নারায়নপুর,কাইচাবাড়ি,খিলপাড়া গ্রাম থেকে ৭৬টি গরু ও ৩টি মহিষ চুরি হয়েছে। নির্বিদে গরুচুরির ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী আজকের সভা করছে। এ সভায় শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিত থাকার কথা ছিলো। তিনি উপস্থিত হননি। বক্তব্যে অন্য বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গরুচুরির বিষয়ে পুলিশের উদাসীনতা রয়েছে। থানায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানি হতে হয়। কোন প্রতিকার হচ্ছেনা। মানুষের জান মালের রক্ষার দ্বায়ীত্ব পুলিশের। এ দায়ীত্ব পালনে শ্রীপুর থানা পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। আমরা অবিলম্বে গরুচুরি বন্দের কার্যকরি ব্যবস্থার দাবী করছি।
সভায় বক্তব্য রাখেন গোসিয়গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান শাহীন. সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ ফকির,খন্দকার আসাদুজ্জামান,ইউপি সদস্য তাজউদ্দিন আহাম্মদ, ফারুক প্রধান, অসাদুজ্জামান বাবু,খন্দকার ওবায়েদুর রহমান প্রমুখ।