হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা নীলফামারী প্রতবনিধি :
নীলফামারীর জলঢাকায কাপড় শুকানে হচ্ছে শহীদ মিনার সহ পতাকা স্টান্ডে ।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম বালাগ্রাম কালিরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ও পতাকা স্টান্ডে তোয়ালী সহ বাচ্চাদের কাপড় শুকাতে দিয়েছে শিক্ষিকারা।
তাছাড়া ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পুলিন নিজের ইচ্ছে মতো আসেন ও বিদ্যালয় ২ টা হতে ৩টার মধ্যে ছুটি দিয়ে চলেযান। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,সহ সহকারী শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানুষ ও সাংবাদিকদের সাথে অশালীন ব্যাবহার করা সহ অনেক অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
এবিষয়ে এলাকাবাসী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি (৫৬) জানান,এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে সাংবাদিক সহ মানুষ কাজে আসলে তখন তিনি মানুষকে মানুষ মনে করেন না ও সন্মান ও দেখান না।
তিনি স্কুলে দেরীতে আসেন ও তারাতারি ছুটি দিয়ে চলেযান। তাকে কিছু বল্লে তিনি রাগ ও ভয় দেখান। তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শিক্ষা অফিসে দিছি কোন কাজ হযনা তিনি কোন খুটির জেড়ে এমন করেন।তাই তার খুটির জোর কোথায়?
এলাকাবাসী আরেকজন জানান, শহীদ মিনার ও জাতীয় পতাকা আমাদের অহংকার ও গর্ব।তিনি শহীদ মিনা ও পতাকা স্টান্ডে কাপড় শুকাতে দিয়ে শহীদ মিনার ও পতাকাকে অসম্মান করেছেন।তার কাছ থেকে শিক্ষার্থী সহ আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি না।তাকে কিছু বল্লে তিনি রাগান্বিত হন।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক পুলিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সহ তার সহকারী শিক্ষিকারা রাগান্বিত হয়ে মিযা সম্বোধন করে ও বিভিন্ন ভাষা ব্যাবহার করে
বলেন আমাদের মন চাইছে তাই শহীদ মিনারে শুকাতে দিছি। তাতে আপনার সমস্যা কি? আমাদের কিছুই হবে না ও করতে পারবেন না।এখন আপনি যান যা পারেন করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামসুন নাহার বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা,তবে এটা অন্যায় কাজ করেছেন।আপনি এটিওর সাথে কথা বলেন।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ( বালাগ্রাম এর দায়িত্ব প্রাপ্ত) বলেন,আমি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না।আপনার যা মন চায় লেখেন।