রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আয়োজিত ৯ম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা ভেড়ামারায় সেনা অভিযানে পিস্তল উদ্ধার বগুড়ার শেরপুরে’সমৃদ্ধ শেরপুর-ধুনট’ এর আয়োজনে ক্বেরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বগুড়ার শেরপুরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল বৈধতা পেলেন রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী পাইকগাছায় তিন সহস্রাধিক দুস্থকে কম্বল দিলেন বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীন          বর্তমান সরকার কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়: রংপুরে বদিউল আলম কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় একজন নিহত গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন, মোঃ ফারুক মোল্লা

রিপোর্টারের নাম / ১৭০ টাইম ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, নভেম্বর ৩, ২০২৩, ৫:৩২ অপরাহ্ণ

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, নিজস্ব প্রতি noবেদক

 

১৫’ই আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলী’কে, আজকের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন।

 

জাতীয় শ্রমিক লীগ, গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর ৮নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ ফারুক মোল্লা।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে, তিনি বলেন।

 

১৯৭৫ সালের ১৫’ই আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর ৩ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও ৪ জাতীয় নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী’কে আজকের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

 

আজ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, জাতীয় বীর সেনানী ও ৪ জাতীয় নেতা’কে যথাযথ শ্রদ্ধার মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টি স্মরণ করছে।

 

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ও বঙ্গবন্ধুর ২’য় খুনি (বহিষ্কৃত) কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান এবং

(বহিষ্কৃত) লে. কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় ৪ নেতা’কে হত্যার পরিকল্পনা করে।

 

এর জন্য তারা আগে ভাগে ঘাতক দল গঠন করে। দলের প্রধান ছিলেন রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন। তিনি ফারুকের সবচেয়ে আস্থাভাজন। ১৫’ই আগস্ট শেখ মনির বাসভবনে যে ঘাতক দলটি হত্যাযজ্ঞ চালায় সেই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মুসলেহ উদ্দিন।

 

প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যানটনি মাস কারেনহাস তার ‘বাংলাদেশ অ্যা লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’কে সপরিবারে হত্যার পরপরই জেলখানায় জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনাটি এমনভাবে নেওয়া হয়েছিল যাতে পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তা আপনা-আপনি কার্যকর হয়। এ কাজের জন্য ৫ সদস্যের ঘাতক দলও গঠন করা হয়।

 

ঘাতক দলের প্রতি নির্দেশ ছিল পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটার সঙ্গে সঙ্গে কোনো নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে তারা জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করবে। ১৯৭৫ সালের ৩’ই নভেম্বর খালেদ মোশাররফ পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটানোর পরেই কেন্দ্রীয় কারাগারে এই জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর পরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে জাতির জনক’কে তার ঐতিহাসিক ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।

 

দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

মোঃ ফারুক মোল্লা, আরও বলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫’ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্য এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় ৪ নেতা হত্যার তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল লন্ডনে। এসব হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচারের প্রক্রিয়াকে যে সমস্ত কারণ বাধাগ্রস্ত করেছে সেগুলোর তদন্তের জন্য ১৯৮০ সালের ১৮’ই সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিশন গঠন করা হয়।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার প্রতি, জাতীয় দৈনিক লীগ, শ্রীপুর পৌর ৮নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের পক্ষ থেকে জানাই, গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর