মানছুর রহমান জাহিদ খুলনা প্রতিনিধি
১৮ আগষ্ট ২০২৫ তারিখটা ছিলো খুলনা তথা পাইকগাছার উপজেলার জন্য খুবই গর্বের ও মর্যাদার একটা দিন। মহান রাব্বুল আলামিন পাইকগাছাবাসীকে সে সম্মান ও মর্যাদায় আসীন করেছেন। বৃহত্তর খুলনার কৃতি সন্তান, উচ্চ শিক্ষিত, উপজেলা বাসীর অতি আপনজন ও সকলের প্রিয় পাত্র অসংখ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী, দানবীর, সদালাপী, মিষ্টু ভাষী ও সাদামনের মানুষ সফল ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া রিপন। হ্যা সেই দানবীর রিপনের কথাই বলছি। চিংড়ী চাষে অসামান্য অবদান রেখে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বার বার পুরস্কার পেয়ে চলতি বছর জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জাতীয় স্বর্ণপদক পেয়ে খুলনা তথা পাইকগাছা বাসীকে গর্বিত করেছেন। যা তিনি পাইকগাছার সর্বসাধারণের জন্য উৎসর্গ করে মহত্বের পরিচয় দিয়ে গৌরম্বিত হয়েছেন। একই সাথে তিনি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিকসহ সাংবাদিক সমাজকে। যারা তার জন্য দোয়া, আশির্বাদ ও সহযোগিতা করেছেন। যেটা অতীতে কাউকে কৃতজ্ঞতা জানাতে দেখা যায়নি। এজন্য তাকে সর্বসাধারণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়। তার একটা মহৎ গুনের কথা না বললেই নয় – তার অফিস বা বাড়ীতে কোন অসহায় ব্যক্তি আসলে তাকে খালি হাতে ফিরতে হয়না। এছাড়াও প্রতিটা দুর্যোগের সময় তিনি নিজ উদ্যোগে বাড়িয়ে দেন সাহায্য ও সহযোগিতার হাত। স্ব-শরীরে হাজির হন দুর্যোগ কবলিত এলাকায়। এছাড়াও তিনি একজন পাখি প্রেমিক। আজব ব্যাপার হলো তার পাইকগাছা রয়্যাল ফিস ট্রেডিং এর কার্যালয়ের পিছনে ছিল অনেক গুলো নারকেল গাছ ও খেজুরর গাছ। যেখানে শত শত বুনো বক এসে বাস করতো। সেই বকের জন্য বাজার থেকে তিনি প্রতিদিন ছোট ছোট মাছ কিনে আনতো তাদের খাওয়ানোর জন্য। রাখতো খাওয়ার পানির ব্যবস্থা। ছোট বকের বাচ্চা গুলো নিচে পড়ে গেলে লালণ পালণ করে উড়ার মত করে উম্মুক্ত করে দিতেন তিনি। তবে সেগুলো এমনই ছিলো মনে হতো পাখিগুলো তার পরিবারের একটা অংশ। সকাল হলে বকগুলো উড়ে যেতো এবং সন্ধ্যার আগেই সব গুলো গাছে গাছে থাকতো। সাদা ধবধবে হয়ে উঠতো গাছের সবুজ পাতাগুলো। শখ করে অনেকেই আসতেন ছবি উঠাতে।