মোঃ নাজমুল হাসান নাজির :
হিরো আলম নিয়ে যতই ফান করুন হিরোর স্পিরিট এবং কথা নিয়ে ফান করা৷ ঠিক হবে কি?হিরো আলমের “প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম হিরো আলমকে অদম্য হিরো আলম বলে উল্লেখ করে বললেন, হিরো আলমের মানুষিক স্প্রিরিট দারুণ। তারজন্য শুভকামনা রইল এবং শুষ্ট নির্বাচনের আশ্বাস দিলেন।নির্বাচন কমিশনের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নেয়ারনিয়মটি কালো আইন বলে অভিহিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম স্পেশালী মোবাইলে আমাকে জানালেন, এই এক শতাংশ স্বাক্ষর বিষয়ে ভোটের পর উচ্চ আদালতে রীট করবো।এমনটি ক,জন বলতে পারে?হিরো আলমের প্রশ্ন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের বেধে দেয়া নিয়ম একটি প্রহসন, হয়রানী মুলক এবং সাংঘর্ষিক। কারণ হিসেবে বললেন, এমপি, উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট ভোটারের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর বেলায় তা করা হয়না। আবার দলীয় প্রতীক এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বেলায় প্রযোজ্য। কিন্তু,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের কেন দলীয় প্রতীক দেয়া হয়না। একই নির্বাচনে দুই ধরনের নিয়ম কি সঠিক? আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের নিয়মটি বাতিল দাবী করে বলেন, ধরুন কোন স্বতন্ত্র প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকার ভোটারের এক শতাংশ স্বাক্ষর নিয়ে মনোনয়ন দাখিল করলো। তার অর্থ ওই একশতাংশ ভোটার তার পক্ষে। কিন্তু গননার পর দেখা গেল ওই এক শতাংশ ভোটার স্বাক্ষর দেয়ার পর তার চেয়ে কম ভোট পেয়েছে প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশন কি বিধান দিবেন এই বিষয়টি। ভোটের আগেই নির্বাচন কমিশন ভোট করলেন এক শতাংশের। মেনেও নিলেন। ওই স্বাক্ষরের চেয়ে কম ভোট হওয়ায় কি ব্যাবস্হা নিবেন? তার চেয়ে নির্বাচন কমিশন বলুক স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যত স্বাক্ষর নিবে তা ভোট হিসেবে গন্য হবে।