মোঃ নাসির উদ্দীন গাজীপুর
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিখ্যাত শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুয়েশন (টিএইচই) হ্যাধিং ২০২৫ ও এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপিবায় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) বাংলাদেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রখম স্থান অর্জন করেছে। গত বুধবার (২৩ এপ্রিল) টাইমস হায়ার এডুকেশন তাদের ওয়েবসাইটে এই র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। তালিকায় এশিয়ায় ৩৫টি অঞ্চলের ৮৫৩টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। প্রতাশিত ও রাস্কিং এ দেশের ভূষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হধ্যে সাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে এবং এশিয়া অঞ্চলে সেরা তালিকায় ৩৫১-৪০০ এর মধ্যে স্থান নিশ্চিত করে জাতীয়ভাবে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান রয়েছে তৃতীয় স্থানে। ৩৫১-৪০০০ এর সেরা রিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় পাকৃবির পরেই রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এর অবস্থান। এর আগে গত জানুয়ারি আসে টাইমস হায়ার ওয়ার্থ ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র্যাঙ্কিং-২০২৫’ দেশ সেরা হয়েছিল গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে লখম স্থান অধিকার করেছিল বালীপুর ভূষি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া বিগত কয়েক বছর পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে গৌরবময় অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বাকৃবির এ অসামান্য অর্জনে অন্তুষ্টি প্রকাশ করে থাকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন রাঙ্গিং ২০০৫-এ গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মেশের ভূমি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করার মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, শিক্ষা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত হয়েছে। এটি আমালো জন্য অত্যন্ত গৌরবের এবং আনন্দের বিষয়। এই অসাধারণ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং একামতার দল। আমি তাঁদের সবাইকে আন্তরিক বন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এই স্বীকৃতি আমানেন আগামী দিনে আজও নায়িত্বশীল, উদ্ভাবনী এবং বৈশ্বিক আনসম্পন্ত্র কৃষিশিক্ষা ও গরেষণায় অৎসর হতে অনুলোরগা লোপাগে। উপাচার্য আরো বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এই সাফশা খাংলাদেশের উঃশিক্ষা ও কৃষিক্ষেরকে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে আরও বৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আমরা দেশের কৃষি উন্নয়নে বিজ্ঞানভিত্তিক অধমান রেখে একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।