পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
আদালতের দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ও একাধিক ডাকাতি, ডাকাতির চেষ্টা এবং বিস্ফোরক আইনের মামলার আসামি ডাকাত দলের সর্দার মো. রুম্মানকে (২৮) ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৫/০৯/২০২৫) সকাল ৯:৪৫ ঘটিকায় র্যাব-৮ (সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং র্যাব-১০ (সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ী) এর একটি যৌথ দল ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সিদ্ধী বটতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করে। রুম্মান বরগুনা জেলার বামনা থানার ঢুষখালী গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে।
জানা গেছে, গত ২৫/০৫/২০২৫ তারিখে বরগুনার বামনা থানায় একটি ডাকাতি মামলা হয়। মামলার বাদী কাঠ ব্যবসায়ী মো. মিরাজ (৪০), যিনি বামনা উপজেলার হোগলাপাতি গ্রামের বাসিন্দা। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪/০৫/২০২৫ তারিখে রাত প্রায় ১:৩০ ঘটিকার সময় ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল তার বাড়ির দক্ষিণ পাশের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা মিরাজের গলায় ছুরি ধরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার বের করে দিতে বলে।
এ সময় ডাকাতরা বাড়ি থেকে প্রায় ১,০১,৩৫০/- (এক লক্ষ এক হাজার তিনশত পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে ছিল ২টি স্বর্ণের আংটি (ওজন ৮ আনা, মূল্য আনুমানিক ৭৫,০০০/- টাকা), নগদ ৫,০০০/- টাকা, এবং বিভিন্ন কোম্পানির ৪টি বাটন ও ১টি স্মার্টফোন।
ডাকাত দলের কথাবার্তা ও শারীরিক গঠন দেখে বাদী মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে রিপন কাজী নামে একজনকে শনাক্ত করতে পারেন, যিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার লক্ষনা গ্রামের বাসিন্দা। এই ঘটনায় বামনা থানায় ডাকাতি ও ডাকাতির চেষ্টার ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (বামনা থানার মামলা নং-৮, তারিখ ২৫/০৫/২০২৫)। সেই মামলার তদন্তে মো. রুম্মানের নামও উঠে আসে।
গ্রেপ্তারের পর রুম্মানকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।