রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
নবীন প্রবীণ জনকল্যাণ সংস্থার নির্বাহী সদস্য মোঃ নুরুজ্জামানকে সংবর্ধনা সাদুল্লাপুরে অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, তরুণী উদ্ধার  কয়রায় সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসি জাহিদুল ইসলামের মতবিনিময়  গাকৃবিতে খাদ্য নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সফল সমাপ্তি বাউবির বিএড ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত – পরিদর্শন করলেন উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল  গাজীপুরের শ্রীপুরে মায়ের ওপর নির্যাতন: মাদকাসক্ত যুবককে মাটিতে পুঁতে শাস্তি দিল এলাকাবাসী  ভেড়ামারা অস্থায়ী কার্যালয় থেকে দৈনিক লালন কণ্ঠ পত্রিকা ও জাতীয় সাপ্তাহিক অন্ধকার জগৎ পত্রিকার কার্ড বিতরণ  নিবন্ধন পেল ‘বাংলা এফএম’ হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে শ্রীপুরে যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ

তানোরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম / ১২১ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৪, ২:১১ অপরাহ্ণ

লিয়াকত হোসেন :

 

রাজশাহী তানোর উপজেলা পালপাড়া এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে রাতের আঁধারে জোরপূর্বক বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আহসান হাবিব বাবুলের বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, তানোর পৌরসভার জেএল নম্বর ১৪৪, মৌজা তানোর, আরএস খতিয়ান নম্বর ৩৩৭ এবং প্রস্তাবিত খতিয়ান নম্বর ১৬৫৯-এর ৯৩ শতক জমির মূল মালিক নারায়ন চন্দ্র দাস। তিনি এই জমি ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল শ্রীমতি হারানী রানী দাসের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে ওয়ারিশ সূত্রে জমি চলে যায় তাদের একমাত্র সন্তান নিমাই কান্ত দাসের কাছে। নিমাই কান্ত দাসের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেন

গোল্লাপাড়া মহল্লার বিশ্বনাথ চন্দ্র সাহার কাছে।

 

এ ক্রয়কৃত জমিতে জোরপূর্বক

আহসান হাবীব বাবুল ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের অন্ধকারে বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করেছে।

 

এখন আমি জমিতে গেলে আহসান হাবিব বাবুল ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং ৬ ডিসেম্বর জমি জবরদখল করে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটা শুরু করেন। এই সময় আমার বর্গাদার আবুল কালাম নিষেধ করতে গেলে, প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে তাকে মারধর করে।

 

অভিযোগের বিষয়ে আহসান হাবিব বাবুল বলেন, আমি এই জমির মূল খতিয়ানের যারা মালিক পর্যায়ক্রমে ১৯৮৪ সালে গোবিন্দ দাসের কাছে ১১ শতাংশ, ১৯৮৯ সালে বিভুতি ভূষণের কাছে ৬.৫ শতাংশ এবং রঘুনাথ দাসের কাছে ১৯৯০ সালে ৭ শতাংশ মোট ২৪.৫ শতাংশ জমি কিনি। আমি জমিটি ১৯৯৩ সালে খারিজ করি। আমি এই যায়গায় ৪০ বছর যাবৎ বসবাস করছি। এখানে ১৯৮৪ সাল থেকে আমার একটা শ-মিল ছিলো। তিনি আরও বলেন বিশ^নাথ সাহা নিমায়ের কাছ থেকে একটা জাল দলিল করে আমার জায়গা দখলের চেষ্টা করছে। তা না হলে এতদিন সে কোথায় ছিলো। আমি আদালতে আপিল করে ১৪৪ ধারা বাতিল করেছি। এখন আর কোন নিষেধাঙ্গা নেই।

 

এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আসলে উভয়পক্ষই কাগজ দেখায় এটা নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। আমরা উভয়পক্ষেকে কোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছে সেটি মেনে কাজ করতে বলেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর