মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাজীপুরে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গাজীপুর সিটিতে ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প কাজের উদ্বোধন রাজশাহীতে ১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের দোয়া ও ইফতার বিতরণ  বিল্লাল হোসেন বেপারী পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ রাজারহাটে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম-ভরণ-পোষণ নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন অসচ্ছল বাবা-মা ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আগামীর পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন: বেনাপোলে পরিবর্তনের নতুন সূর্যোদয় ভেড়ামারায় উদ্দীপন এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি শব্দ দূষণের অপরাধে কুড়িগ্রামে ৭ চালকের জরিমানা

তিস্তার ভাঙ্গনে নেই কোন প্রতিকার ফসলী জমি ভাঙ্গন আতঙ্কে অর্ধশতাধিক পরিবার

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর / ৬৫ টাইম ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, আগস্ট ২৬, ২০২৫, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর

 

উজানের পাহাড়ি ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীতে বন্যার পানি কমার সাথে সাথে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা এলাকায় তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ১০ একর ফসলী জমি। ভাঙ্গন আতঙ্কে ভুগছে এলাকার অর্ধশতাধিক পরিবার।

 

সরজমিন মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা এলাকায় উপস্থিত হলে দেখা গেছে তিস্তা নদীর ভাঙ্গন দৃশ্য। এসময় কথা হয় স্থানীয় মোস্তফা, ইউনুস, আইয়ুব, মুকুল চন্দ্র, অতুল চন্দ্র, রঘুনাথ চন্দ্র, আমজাদ হোসেন, শাহিনুর, জুয়েল, আলম, মকবুল হোসেনসহ অনেকের সাথে।

 

বিনবিনা গ্রামের মোস্তফা জানান, বন্যার পানি কমার সাথে সাথে এই এলাকায় প্রবল ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় ১০ একর আমন ক্ষেত তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে।

 

আইয়ুব আলী জানান, তিস্তার ভাঙ্গনে এলাকার প্রায় অর্ধশত পরিবার হুমকির মুখে রয়েছে। ভাঙ্গন রোধ করা না গেলে যে কোন মুহূর্তে আমাদের ঘর-বাড়ী নদীতে ভেঙ্গে যাওয়ার চরম আশঙ্কা রয়েছে।

 

অতুল চন্দ্র বলেন, আমরা বছরে একবারই ধান (আমন) আবাদ করি। এ ছাড়া আমরা অন্য কোনো ফসল আবাদের সুযোগ পাই না। এবার এই বন্যা ও ভাঙ্গনে সেই আমন ক্ষেতও নদীতে ভেঙ্গে গেছে। এই এক বছর কি খেয়ে বেঁচে থাকব তার কোন উপায় নাই।

 

রঘুনাথ চন্দ্র, আমজাদ হোসেন, শাহিনুর, জুয়েল, আলম, মকবুলসহ অনেকে জানান, এখন সরকারি সহযোগিতা ও ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা না নিলে আমাদের পথে বসতে হবে।

 

কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের (প্যানেল) চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিনবিনা থেকে চর শংকরদহ পর্যন্ত একটি বাঁধ নির্মানের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড কেবল আশ্বাস দিয়েই যাচ্ছে, বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ নেই। তিনি আরো বলেন, বাঁধটি নির্মাণ করা হলে কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনিয়া থেকে লক্ষীটারী ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা তিস্তার বন্যা ও ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।

 

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, উপজেলায় তিস্তার তীরবর্তী যেসব এলাকায় ভাঙ্গন রয়েছে তা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। বন্যা-ভাঙন থেকে উপজেলার মানুষকে রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর