শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
উচ্চ শিক্ষায় জ্ঞানচর্চার বর্তমান বাস্তবতা: প্রফেসর ড. মো: আবু তালেব  কাশিমপুর কারাগার থেকে কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর  স্বামীর গচ্ছিত টাকা ফেরত দিতে কিডনি বিক্রির আকুতি, পাশে দাঁড়ালেন ডাঃ মোতাসিম বিল্লাহ আলম  স্লিম কমিউনিটির উদ্যোগে গাজীপুরে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মোংলা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ১৪জন নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন গাজীপুর মহাসড়কের দুই পাশের বর্জ্য সরিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় আনা হবে মোংলায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংঘের ইফতার ও দোয়া মাহফিল গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও নৈশভোজ শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন মেম্বার পদপ্রার্থী মনিরুল ইসলাম মাদবর ভিজিএফের তালিকা প্রনয়নে অনিয়মের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা

দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম

আলমগীর হোসেন সাগর স্টাফ রিপোর্টার / ৬৯ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ

আলমগীর হোসেন সাগর স্টাফ রিপোর্টার :

দল নয়, পরিচয় নয় — ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র অবস্থান।ট্যাগের ঊর্ধ্বে উঠে, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশই হোক আমাদের সবার লক্ষ্য।আমি যখন ৭১-এর চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিকামী বাঙালির সঙ্গে “জয় বাংলা” স্লোগান দিই, তখন অনেকেই আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর মনে করে!

আবার যখন ২০২৪ সালের কোটা-বিরোধী আন্দোলনের সময় সরকারের গণহারে মানুষকে “রাজাকার” বলার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলি—“তুমি কে, আমি কে — রাজাকার, রাজাকার”“কে বলেছে, কে বলেছে — স্বৈরাচার, স্বৈরাচার”— তখন আমি হয়ে যাই রাজাকার!যখন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলি, তখন আমি নাকি জামায়াত-এনসিপি।

যখন ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমান-এর “যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল” আহ্বানের পাশে দাঁড়াই, তখন আমি পাকিস্তান-বিরোধী।আবার যখন ১৯৭২–১৯৭৫ সময়কার বাকশাল কায়েম এবং স্বৈরাচারী শাসনের সমালোচনা করি, তখন আমি হয়ে যাই জামায়াত-বিএনপি।আমি যখন বলি, বাংলাদেশ একসময় দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল— তখন আমি নাকি জামায়াত-এনসিপি।

কিন্তু যখন শেখ হাসিনা সরকারের মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে কথা বলি— তখন আমি আওয়ামী লীগের দোসর। আবার যখন সেই সরকারের দুর্নীতি বা স্বৈরাচারী আচরণের সমালোচনা করি, তখন আমি হয়ে যাই জামায়াত-বিএনপি।আমি যখন বাকশালের বিরোধিতা করি এবং বলি যে জিয়াউর রহমান গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন — তখন আমি “আওয়ামী-বিরোধী বিএনপি”।

আমি যখন ইসলামের স্লোগান দিই— “নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার তখন আমাকে বলা হয় জামাতি।আমি যখন শহীদ হাদীর হত্যার বিচার চাই, তখন আমি যে ঠিক কার বিরোধী সেটা আজও বুঝতে পারি না!!! যখন ২০২৪ সালে নিহত মানুষদের বিচার চাই, তখন বলা হয় আমি টার্গেটে আছি।

আমার পরিচিত অনেকেই আওয়ামী লীগ করতেন, কিন্তু কখনো কারো টাকা আত্মসাৎ করতে দেখিনি। ২০২৪ সালে তারা ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।যখন তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয় এবং আমি তার প্রতিবাদ করি তখন আমি হয়ে যাই “আওয়ামী দোসর”।আমি যখন বিশ্বজিৎ হত্যার বিচার চাই, তখন আমি লীগ-বিরোধী।

যখন ইলিয়াস আলী, পিলখানা বা আবরার হত্যার বিচার চাই তখন আমি ভারত-বিরোধী।আমি যদি বলি এহসানুল হক মিলন-কে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই— তখন অনেকেই ভাবে, আমি বিএনপিতে যোগ দিচ্ছি!

অন্যদিকে, যারা সব সময় ক্ষমতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুবিধা নেয়— আওয়ামী আমলে আওয়ামী, বিএনপি আমলে বিএনপি— তারাই হয়ে যায় সবার চোখের মণি।একসময় এই দেশে এমন ছিল— কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া কোনো ছাত্র নিয়মিত নামাজ পড়লে, দাড়ি রাখলে— তাকে শিবির কর্মী বলে ট্যাগ দেওয়া হতো।

আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশে এই ট্যাগিং সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া দরকার।দিন শেষে আমি নিজেকেই প্রশ্ন করি— আমি আসলে কে?আমি একজন ডাক্তার, কিন্তু সবার আগে একজন মানুষ।আমার ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে।তাই আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলি—আমার পাশে থাকুন, আমার ভুল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন।আমি অবশ্যই তা সংশোধনের চেষ্টা করব।দিন শেষে আমিও শহীদ হাদীর মতো একটি ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পক্ষে।জয় বাংলা!বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,ইনকিলাব জিন্দাবাদ!নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার।ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ. সবার আগে বাংলাদেশ।

ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম

প্রতিষ্ঠাতা, পেসমেকার সোসাইটি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর