শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
তিস্তা বাচাই আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক দুলু নির্বাচিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ ভেড়ামারায় অতর্কিত হামলায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ঘিরে ফুলের দোকানে ভিড় নবনির্বাচিত এমপি প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলেল শুভেচ্ছা  ফুলে ফুলে সেজেছে বসন্ত যোগ্য পিতার উত্তরসূরি রাফসান ইসলাম: আবুল কালামের বিজয়ে নেপথ্য ভূমিকা গাজীপুর- ১আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান গাজীপুরে সৎ মায়ের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ,পলাতক ছেলে কুষ্টিয়া-২ আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াত প্রার্থী আব্দুল গফুর বিজয়ী ভোটের ঝড়ে নতুন ভোর-বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয় : প্রফেসর ড. মো: আবু তালেব, বাউবি

দাম বাড়ায় পেঁয়াজ কেনা কমিয়েছেন ক্রেতারা

রিপোর্টারের নাম / ১৫৬ টাইম ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, নভেম্বর ২২, ২০২৪, ৬:৪০ অপরাহ্ণ

মাহমুদুল হাসান
আগে যে ক্রেতা ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতো সেই ক্রেতাই এখন কিনছেন আধা কেজি পেঁয়াজ। দাম বাড়ার পর থেকে পেঁয়াজ বিক্রি কমে গেছে। এখন পরিমাণে কম করে পেঁয়াজ কেনার ক্রেতার সংখ্যাই বেশি।
বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এখন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে। আর ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০৫ থেকে ১১০টাকায়। এত বেশি দামে পেঁয়াজ কেনায় ক্ষুব্ধ যেমন ক্রেতারা, তেমনি খুচরা বিক্রেতারও অসন্তুষ্ট। কারণ দাম বাড়ার কারণে তাদের বিক্রি কমে গেছে। সাধারণ ক্রেতারা আর বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ কিনছে না। আগে যে ক্রেতা এক কেজি করে পেঁয়াজ নিতেন সেই ক্রেতাই এখন আধা কেজি পেঁয়াজ কিনছেন।
মোতাহার হোসেন তেমনই একজন ক্রেতা। ভেড়ামারা বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনেছেন তিনি। দামের বিষয়ে জানতে চাইলে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, আজ দীর্ঘদিন যাবত পেঁয়াজের এত বাড়তি দাম, তবুও বাজার মনিটরিংয়ের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ল না। ক্রেতারা যে এত দাম দিয়ে বাধ্য হয়ে পেঁয়াজ কিনছে, সেখানে সংশ্লিষ্টদের কোনো পদক্ষেপ নেই। অথচ দীর্ঘদিন ধরে পেঁয়াজের বাজার বাড়তি যাচ্ছে। এত বেশি দাম হওয়ার কারণে আজ তো আধা কেজি পেঁয়াজ কিনলাম। আমি তো তাও আধা কেজি পেঁয়াজ কিনতে পেরেছি, কিন্তু এত বেশি দাম হওয়ার কারণে নিম্ন আয়ের মানুষরা তাও কিনতে পারছে না।
একই রকম অভিযোগ জানিয়ে ভেড়ামারা মধ্য বাজার থেকে পেঁয়াজ কেনা আরেক ক্রেতা আজিম উদ্দিন বলেন, এত দামে পেঁয়াজ কেনা আসলেই খুব খারাপ লাগার মতো বিষয়। কেউই সাধারণ ক্রেতাদের কথা ভাবে না, তাদের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয় না। আগে তাও একসাথে দুই তিন কেজি করে পেঁয়াজ কিনেছি, এখন এক কেজি পেঁয়াজ কেনাই কষ্টকর। দাম বাড়ার পর থেকে নিয়মিত আধা কেজি করে পেঁয়াজ কিনছি। সরকারের উচিত বাজার সিন্ডিকেটের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া।
দাম বেশি হওয়ার কারণে পেঁয়াজ বিক্রির পরিমাণ আগের চেয়ে কমে গেছে বলেন পেয়াজ ব্যবসায়ী্রা, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা কেজি, আর ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি করছি ১০৫ টাকায়। দাম বেশি হওয়ার কারণে মানুষ এখন তুলনামূলক কম পেঁয়াজ কিনছে।
পেঁয়াজ বিক্রেতা শিপন আলি বলেন, পাইকারি বাজার থেকে কেনার সময় আমাদের দাম বেশি পড়ছে, তাই খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আমাদের বিক্রিও আগের চেয়ে কমে গেছে। পাইকারি বাজার থেকে বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনে আনতে হয়, এরপর আছে পরিবহন খরচ, লেবার খরচ। তারপর আবার পেঁয়াজ শুকিয়ে ওজন কমে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর