সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
বগুড়ার শেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকচাপায় ফায়ার ফাইটার নিহত, পৃথক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ২   একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিতে অপোর ‘২১-এর চেতনায় ২১ টাকায় ফোন’ ক্যাম্পেইন চালু ভেড়ামারায় দোকানে ভাঙরচুর, লুটপাট ও মিথ্যা মামলা করার দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন  রংপুর ৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও ভোট গননার দাবিতে শ্রীপুরের রাজনীতিতে আস্থার নাম: বিল্লাল হোসেন বেপারী কাশিমপুরে নির্মানের পরে ধসে পড়ল প্রায় ৩০ মিটার সড়ক দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ভেড়ামারায় নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন  কোনাবাড়ীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ভাড়াটিয়া দম্পতির উপর হামলার অভিযোগ

দেশ গড়ার ডাক তারেক রহমানের

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৩ টাইম ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশের মাটিতে পা রেখেই তিনি উচ্চারণ করলেন এমন এক বাক্য, যা ধর্মীয় বিশ্বাস, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও নাগরিক দায়িত্বকে এক সুতোয় বেঁধে দিল—“হে সার্বভৌম শক্তির মালিক আল্লাহ! আপনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন, যাকে ইচ্ছা সম্মান দেন।”এই বাক্যের মধ্য দিয়েই যেন তিনি বুঝিয়ে দিলেন,ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ক্ষমতা আমানত,আর সেই আমানতের সঠিক ব্যবহারই রাজনীতির নৈতিকতা।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টা ৫৭ মিনিটে পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনায় তারেক রহমান বলেন, সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। এই দেশ আমাদের সবার। এই দেশ গড়ার দায়িত্বও আমাদের সবার।

এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক আহ্বান নয়,এটি ছিল একটি নৈতিক চুক্তি, সীমাবদ্ধ শুধুমাত্র  নাগরিকের মধ্যে, ক্ষমতা ও দায়িত্বের মধ্যে। তিনি বলেন, মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়, ন্যায্যতা চায়, নিরাপত্তা চায়। তিনি যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখান, তা কোনো দলের নয়,একজন মায়ের দেখা নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্ন, যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন শিশু, একজন বৃদ্ধ নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ফিরে আসতে পারে, সেই বাংলাদেশই আমরা গড়তে চাই।” তারেক রহমানের এই উচ্চারণে ধর্মীয় বিনয় ও রাজনৈতিক দৃঢ়তা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে যায়। একদিকে আল্লাহর সর্বশক্তিময়তার স্বীকৃতি, অন্যদিকে মানুষের দায়িত্বের ডাক। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত যাত্রাপথ ছিল আবেগের এক নদী। হাতে পতাকা, চোখে জল, কণ্ঠে স্লোগান—“তারেক ভাই”, “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ”। তাকে বহন করা লাল-সবুজ এক বাসের সামনে লেখা ছিল, “সবার আগে বাংলাদেশ।” সেটি ছিল শুধু স্লোগান নয়, ছিল একটি রাষ্ট্রদর্শনের সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেবল একটি ব্যক্তির ফেরা নয়, এটি রাজনীতির ভাষা বদলের ইঙ্গিত। ক্ষমতার ভাষা থেকে দায়িত্বের ভাষায়, প্রতিশোধের রাজনীতি থেকে নিরাপত্তার রাজনীতিতে, একচেটিয়াত্ব থেকে অংশীদারিত্বের দিকে যাত্রার আহ্বান। ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’ ৩১ দফা কর্মসূচি ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদর্শনের রূপরেখা, যেখানে রাষ্ট্র থাকবে মানুষের জন্য, মানুষ থাকবে রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দুতে।

শেষ পর্যন্ত তারেক রহমান যে বাক্যটি উচ্চারণ করেন, সেটিই হয়ে ওঠে পুরো দিনের সারকথা—“এই দেশ আমাদের সবার। এই দেশ গড়ার দায়িত্বও আমাদের সবার।” ক্ষমতা আল্লাহ দেন, কিন্তু দেশ গড়তে হয় মানুষকেই।এই দুইয়ের মাঝখানেই দাঁড়িয়ে আছে আজকের বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর