হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি :
নীলফামারীতে এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের চাকরির নামে প্রতারনা।জানাযায়, বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার সোনাতলা বাড়িয়ারহাট এলাকার বাংলাদেশ এ্যাজমা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে যা তাদের এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের ওয়েভ সাইডে আছে এ-ই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। আর দৈনিক করতোয়ার এ-ই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে নীলফামারীর ৬ থানার অনেকে আবেদন করে তাদের মধ্যে থেকে ১২৩ জন কে ভাইভার জন্য ডাকে। পরে তাদের কাছ থেকে ১,০০০/= টাকা উন্নয়নের নামে জামানত গ্রহণ করে তাদেরকে বিভিন্ন পদে নিয়োগপত্র ও কিছু কাগজ দিয়ে নিয়োগ প্রদান করে।
এদিকে নিয়োগকৃতদের কাজের জন্য ৭ মাসেও কোন অফিস ঘর না দিয়ে দুই মাস কাজ করিয়ে তাদের বেতনভাতা না দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে ।
সোমবার ভুক্তভোগী এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রাপ্ত শতাধিক শতাধিক যুবক-যুবতীরা নীলফামারীর জলঢাকা প্রেস ক্লাবে এসে সাংবাদিকদের জানান, সরকার কর্তৃক এস – ৯৫২৯ নম্বর রেজিষ্ট্রেশন কৃত এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান পরিচয়দানকারী মো. একরাম হোসেন নামের ব্যক্তিটি আমাদের ১২৩ জনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ভাইভা পরীক্ষার নিয়ে মানি রশিদের মাধ্যমে ১ হাজার টাকা নেওয়ার পর আমাদের কাজ করার জন্য ৭ মাস অতিবাহিত হলেও কোন অফিস ও বেতনভাতা না দিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। তাছাড়া দুই মাস কাজ করিয়ে আমাদের বেতনভাতা প্রদান না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।
ডিমলা উপজেলায় স্বাস্থ্য কর্মী হিসাবে নিয়োগ পাওয়া জান্নাতুল ফেরদৌস মোবাইল ফোনে জানান, বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি ।
এ বিষয়ে ডিমটার নাউতারা এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক ও জলঢাকার ডাউয়াবাড়ী নেকবক্ত এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান এ-ই প্রতিষ্ঠানটি আগেও এরকম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আমি ও আমরা তাই দেখে আবেদন করেছিলাম তখন আমাদের কাছ থেকে ফাউন্ডেশন ১ হাজার টাকা নিয়ে নিয়োগ প্রদান করার পর আমরা ৮ মাস কাজ করে কোন বেতন পাই নাই।তারা আমাদের বেতন না দিয়ে আবারও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেন মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছে।
এ বিষয়ে এ্যাজমা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান একরাম হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ০১৭১৩৬৪২৯২২ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
জলঢাকা থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।