সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
খুলনার কপিলমুনিতে আরব আমিরাত সরকারের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ গাজীপুর-৩ আসনে ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা রংপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৬৮ লিটার চোলাই মদ জব্দ গ্রেফতার-১ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে উন্মোচিত হলো ১২০x জুমসহ অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি আয়োজিত হলো নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে সংলাপ রোজার আগে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে সোনাতলায়, মাত্র ৫০ দিনে কুরআনের হাফেজ হলো ১০ বছরের আব্দুর রহমান সংস্কার চান তাহলে উত্তরটা “হ্যাঁ” বলতে হবে: রিজওয়ানা হাসান শ্রীপুরে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের যাত্রা বিরতি ও টিকিট বিক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গাজীপুর-৩ আসনে জোটের প্রার্থী নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ, আলোচনায় ‘বহিরাগত’ ইস্যু

পাইকগাছায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

রিপোর্টারের নাম / ১০৬ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, নভেম্বর ৯, ২০২৪, ২:২৯ অপরাহ্ণ

মানছুর রহমান জাহিদ খুলনা প্রতিনিধি

 

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু মুছার বিরুদ্ধে লতায় হিন্দুদের উপর বিভিন্ন নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। লতা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইব্রাহীম গাজী সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে বিএনপির আদর্শ ধারণ করে বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছি। কপিলমুনি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমান কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও থানা আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বে রয়েছি।‌ পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়ন হিন্দু অধ্যুষিত একটি ইউনিয়ন। বিএনপির প্রতিষ্ঠা হতে উক্ত ইউনিয়নে হিন্দুরাই বিএনপিকে উজ্জীবিত করে রেখেছিল। প্রথম বিএনপির লতা ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান কিরণ চন্দ্র বিশ্বাস এবং সম্পাদক ছিলেন মনোরঞ্জন রায়। মনোরঞ্জন লতা ইউনিয়ন ছেড়ে পাইকগাছায় আসলে আমাকে উক্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন। যার অধিকাংশ ছিলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাইয়েরা। কিন্তু বর্তমান কমিটিতে আবু মুছাকে সাধারণ সম্পাদক করায় হিন্দুদেরকে কমিটি থেকে বাদ রেখে মুছাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যারা দীর্ঘদিন বিএনপির কমিটিভুক্ত ছিল, আপন ভাইকে একটি মামলার বাদী করে বিএনপির হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের আসামী শ্রেণীভুক্ত করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলে মুছার নেতৃত্বে তার আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ইউনিয়নের শামুকপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিপ্লব সরকার, মদন মোহন মন্ডলদের বাড়ীতে হামলা, লুটপাট, ভাংচুর ও চাঁদা আদায় করা হয়েছে। বিনয় কৃষ্ণ মন্ডলের পুত্র হিরনায় মন্ডল, ঠাকুর দাসের পুত্র প্রশান্ত মন্ডল, ভোলানাথ মন্ডলের পুত্র সমীরণ মন্ডলদের ইউনিয়নের শামুকপোতা বাজারে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। এছাড়াও কিরণ ঘোষের পুত্র সমরেশ ঘোষ, শুকলালের পুত্র আনন্দ মোহন মন্ডল, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কালিদাস মাস্টারদের ইউনিয়নের কাঠামারী বাজারের দোকানে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর করা হয়েছে। এছাড়া অনেক হিন্দুকে আসামী করার ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও বহিরাগত লীজ ঘের মালিকদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় অব্যহত রেখেছে। অনেকে তার অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আবেদন করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন। বর্তমানে মুছার অত্যাচারে যে হিন্দুরা একদিন বিএনপিকে উজ্জীবিত করে রেখেছিল তারা বর্তমানে আতংকিত হয়ে পড়েছে। অনেকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতিসহ আত্মগোপনে রয়েছে। আমি একজন বিএনপির নুন্যতম কর্মী হিসেবে মুছার অত্যাচারে তাদের পাশে যেয়ে দাড়ানোর চেষ্টা করলে আমার উপরেও মুহা বাহিনীর সন্ত্রাসী দ্বারা অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। উক্ত মুছা শুধু হিন্দুদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন করে ক্ষ্যান্ত হচ্ছে না, সে বিএনপির পদধারী মাসুদ মোল্লা, শহিদ সানা, মনিরুল সরদার, তুহিন হাওলাদার, রুবেল হাওলাদার, জিয়ারুল গাজীসহ অনেকের উপর অত্যাচার-নির্যাতন বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাসুদ মোল্লা, জিয়ারুল ইসলাম, আবু তুহিন হাওলাদার, ওমর ফারুক মিঠু, মনিরুল সরদার, আকতার সরদার, রুবেল মির, সহিদ সানা প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর