শামীম আল মামুন স্টাফ রিপোর্টার :
নেত্রকোনায় পাহাড় দেখতে বাবা, ভাই ও আত্মীয়-স্বজনসহ ২৭ জনের একটি দল নিয়ে রোববার সকালে শ্রীপুর থেকে বের হয়ে যান রুহুল আমিন সুমন। পাহাড় থেকে বাড়ি ফেরা হলোনা তাঁর। সন্ধ্যায় লাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে তাঁকে।
রুহুল আমিন সুমনের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গিলারচালা গ্ৰামে। তিনি ওই গ্রামের শফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে সন্তান। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি গ্রামে চিনামাটির পাহাড় দেখতে রোববার সকালে বের হয়েছিলেন তারা। সেখানে দুপুর ১টায় পাহাড়ের পাদদেশে জলাশয়ে ডুবে মৃত্যু হয় সুমনের। সন্ধ্যায় তার লাশ বাড়িতে আসে ।
রুহুল আমিন সুমনের চাচা জহিরুল ইসলাম জানান, প্রথমে চিনামাটির পাহাড়ের জলাশয়ে গোসল করতে নামেন সুমনের বাবা। এরপর সুমনসহ আরো কয়েকজন সেখানে নেমে পড়েন।
এক পর্যায়ে সুমন পানিতে তলিয়ে যান। বাবা ও অন্যান্য চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তারা জলাশয় নেমে সুমনের খোঁজ করতে থাকেন। ২০ মিনিটের মধ্যেই জলাশয়ের তলদেশে সুমনের নিথর মরদেহের খোঁজ পান তাঁরা। মরদহাটি দ্রুত দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বলেন, দুপুরের দিকে সুমন নামের একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আকবর আলী খান বলেন,’ পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার বিষয় সম্পর্কে থানায় কেউ অবগত করেনি। যেহেতু ঘটনা ওই জেলায় সেহেতু সেখানে আবেদন করতে হবে।’