রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ভেড়ামারায় নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন  কোনাবাড়ীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ভাড়াটিয়া দম্পতির উপর হামলার অভিযোগ তিস্তা বাচাই আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক দুলু নির্বাচিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ ভেড়ামারায় অতর্কিত হামলায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ঘিরে ফুলের দোকানে ভিড় নবনির্বাচিত এমপি প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলেল শুভেচ্ছা  ফুলে ফুলে সেজেছে বসন্ত যোগ্য পিতার উত্তরসূরি রাফসান ইসলাম: আবুল কালামের বিজয়ে নেপথ্য ভূমিকা

প্রধান শিক্ষক শাহজাহান এর দূর্ণীতি প্রমানিত; জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদনঃ

রিপোর্টারের নাম / ২১৭ টাইম ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৩, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ

মোঃ ফারুক হোসাইন , জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট

 

আলোচিত সংবাদ ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি বিক্রয়ের টাকা আত্বসাতসহ নানা অনিয়ম নিয়ে বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা, দৈনিক ভোরের আলো , দি ডেইলি স্টার, দৈনিক করোতোয়া, বার্তা বিচিত্রা পত্রিকাসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পত্রিকা গুলোতে তিনটি পর্বে বিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম তুলে ধরা হয়। এতে জেলা শিক্ষা অফিসারের নজরে আসে খবরটি।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ১ নং মোগলহাট ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড এ অবস্থিত ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়। যা ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয়। এ সময় ফুলগাছ এলাকার বাসিন্দা মোঃ জালাল উদ্দিন ১১০ শতক ও মোঃ জহির উদ্দিন ৪০ শতক জমি প্রতিষ্ঠানের নামে কবলা করে দেন। এতে মোট ১৫০ শতক জমি ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৭ সালে ফুলগাছ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে খারিজ করেন। এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন দানকৃত ১৫০ শতক জমির মধ্যে ৪০ শতক জমি, জমিদাতা জহির উদ্দিনের পুত্র ও বিদ্যালয়ের করণীক জয়নাল আবেদীন ভোগদখল করে আসছেন প্রধান শিক্ষকের ছত্র-ছায়ায়।

তথ্য পাওয়া যায়, এ জমিতে গড়ে উঠা বেশ কয়েকটি দোকান থেকে প্রাপ্ত ভাড়া ও ফসল থেকে আসা অর্থ সবই ভোগ করেন প্রধান শিক্ষক ও করণীক। যার ১ টি টাকাও প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা হয় না বলে প্রমান পান জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারি।

 

অপর দিকে ১১০ শতক জমি, জমিদাতা জালাল উদ্দিনের মাধ্যমে বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাত করেন ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী ও জমিদাতা জালাল উদ্দিন।

এতে জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত করেন এবং তাদের জমি বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্যের প্রমান পান, ফলে প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী ও করণীক মোঃ জয়নাল আবেদীন উভয়কে কারন দর্শানোর নোটিশ দেন। সেই সাথে জমি উদ্ধারের জন্য মৌখিক ভাবে একমাস সময় দেন। এই সুযাগে প্রধান শিক্ষক অতি গোপনে সম্পুর্ন জমি অবৈধ ভাবে লিজের নামে পুরো জমিই, জমি ক্রেতাদেরকে দখল দেন।

 

পরবর্তীতে ১ লা ফেব্রুয়ারি/২৩ তারিখে পুনরায় বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান জেলা শিক্ষা অফিসার। বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখেন বিদ্যালয় ছুটি দিয়েছেন দুপুর ১২ টার মধ্যেই। অধিকাংশ শিক্ষক বাড়িতে চলে গেছেন। দুই-তিনজন শিক্ষক রয়েছেন। তবে তারাও বাড়িতে যেতে প্রস্তুত ছিলেন। পরবর্তীতে একজন সহকারি শিক্ষক ফোন করে ডেকে আনেন প্রধান শিক্ষককে। শিক্ষা অফিসার প্রধান শিক্ষককের নিকট বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে তিনি লিজ দিয়েছেন বলে জানান। লিজের কাগজ দেখতে চাইলে তিনি যে কাগজ দেখান যাতে উল্লেখ রয়েছে ১.৫০ একর জমি বার্ষিক লিজ দেয়া হয়েছে মাত্র ১২ হাজার টাকায়। অথচ এর বাজার মূল্য কমপক্ষে ৫৫,০০০/- টাকর উপরে। এতে প্রমানিত হয় যে, পুরো জমিই, জমি ক্রেতাদেরকে দখল দেন প্রধান শিক্ষক। যে কারনে জমি উদ্ধারে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি তিনি।

 

গত ৮ ই ফেব্রুয়ারি জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রনীত এক প্রতিবেদন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে প্রেরণ করা হয়। এতে উল্লেখ রয়েছে যে, সকল বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের দূর্ণীতি এবং জমি উদ্ধারে তার কোন তৎপরতা নেই বলে প্রতিয়মান হয়। তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট তদন্তের প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন যেন তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এবং বিদ্যালয়ের সমূদয় জমি উদ্ধার হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর