শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ বিতরণ অনেকে ভূয়া ব্যালট ও সিল নিয়ে ভিতরে ঢুকতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে – লায়ন ফরিদ গাজীপুর-৫ ,কালীগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা ঊর্ধ্বমুখী দেশের নিত্যপণ্যের বাজার! পিছিয়ে নেই ফলের দামও দেশ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা প্রয়োজন যা কেবল বিএনপি’র আছে -মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল  দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা ইউজিসির HEAT প্রকল্পে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ভেড়ামারার রায়টায় বিএনপি প্রার্থী ব্যারিষ্টার রাগিব রউফ চৌধুরীর পথসভা অনুষ্ঠিত পারবো না দিতে ধোকা  গাজীপুরের শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তায় বিএনপির গণমিছিল অনুষ্ঠিত 

প্লাস্টিকের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাঁশ-বেতের শিল্প

রিপোর্টারের নাম / ৫৩৪ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ

মাহমুদুল হাসান

 

 

আধুনিকতার ছোঁয়া আর কালের বিবর্তনে প্লাস্টিকের দাপটেও টিকে আছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাঁশ ও বেত শিল্প। বর্তমানে প্লাস্টিকের দাপটে এই শিল্প এখন হারিয়ে যাচ্ছে। নির্বিচারে বাঁশ কাটা পরিচর্যার অভাব এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অবহেলায় বাঁশঝাড় ক্রমশই কমে যাচ্ছে। উজার হচ্ছে প্রকৃতির দূর্যোগ প্রতিরোধক ও পরিবেশের পরম বন্ধু বাঁশঝাড়। যে কারণে সচরাচর হাট বাজার গুলোয় বাঁশের তৈরি শিল্প আগেরমত চোখে পড়েনা ।

 

 

এ শিল্পের সাথে জড়িত থাকা পরিবার গুলো এখন স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করতে পারছেনা। বর্তমানে প্লাস্টিকের মালামাল বেশি বিক্রি হচ্ছে।

 

 

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এ পেশায় থাকা লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের পূর্ব পুরুষদের পেশা ধরে রাখতে তাহারা সাজি, কুলা, ডালা, চালুন, মুরগী আটকানো ঢাকনা চাই বুচনা ইত্যাদি নিজেদের হাতে তৈরী করছেন। তারা বলেন আমন মৌসুমে ধানঘরে তোলার সময় এর ব্যাবহার বেড়ে যায়।

 

 

সুভাষ হালদার জানান, আগে দিনরাত পরিশ্রম করে কাজ করতাম কিন্তু এখন চাহিদা কম এবং লাভ কম হওয়ার কাজ কমে গেছে। তিনি জানান, একটি বাঁশের দাম ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। একটি বাঁশ থেকে ৪/৫টি সাজি তৈরি করা যায়। প্রতিহাটে ৪ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা বিক্রি করলে ২ হাজার টাকা আয় হয়। এই সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালানো মুশকিল হয়ে পড়ে।

 

 

সুরঞ্জন বিশ্বাস জানান, এই ব্যবসা আমাদের ২৫ বছর ধরে চলে। বর্তমানে প্লাস্টিকের দাপটে আমাদের ব্যবসা আগের মত হয়না। তাছাড়া ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে এই ব্যবসা বন্ধ করে অন্য ব্যবসায় জড়িয়ে পড়া ছাড়া আর বিকল্প কোন পদ থাকবে না। বর্তমানে বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য যে দাম তাতে আমাদের মত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকে থাকা মুশকিল।

 

 

এলাকার সচেতন নাগরিকগণ মনে করেন, এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া সহ সরকারের সুনজর দেওয়া দরকার।

 

 

আমাদের সকলের উচিত বাঁশের তৈরির বিভিন্ন মালামাল ক্রয় করে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা। আমরা আশা করি এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর