মোঃনাসির উদ্দিন গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি
“বৈশ্মিক পুষ্টিতে দুধ অপরিহার্য” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা জমকালাে আয়ােজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুগ্ধ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০:০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্স অনুষদ (ডিভিএম) এর ডেইরি অ্যান্ড পােল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের আয়ােজন ও অ্যাভান অ্যানিম্যাল হেল্থ বাংলাদেশের সহযােগিতায় একটি শােভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদক্ষিণ করে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ এসে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের নীচে ডিভিএম এর ডিন প্রফেসর ড. মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সভাপতিত্বে একটি আলােচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া, বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর তােফায়ল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বশেমুরকৃবি’র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কােমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে দুধ পান উদ্বুদ্ধো করার নিমিত্তে দুধ পান করানাে হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারীদের মধ্যে দুধের গুণাগুণ পরীক্ষার ফ্রি সেবা প্রদান করা হয়। আলােচনা সভার প্রাক্কালে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, যেকােন স্তন্যপায়ী চতুষ্পদ প্রাণীসহ মানব সমাজের জন্য দুধ একটি অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান। দুধ ভিটামিন সি ছাড়া সবগুলা খাদ্য উপাদান উল্লেখযােগ্য মাত্রায় উপস্থিত। পুষ্টি চাহিদা পূরণে দুগ্ধ পান বিকল্প নেই উল্লেখ করে দুধে যাতে ভেজাল দেয়া না হয় সেজন্য প্রত্যককে সচতেন হওয়ার উদাত্ত আহবান জানান ভাইস-চ্যান্সেলর। অন্যদিকে ট্রেজারার প্রফেসর তােফায়েল আহমেদ দুধ মানবদেহে প্রয়ােজনীয় শােষণযােগ্য ক্যালসিয়াম, আমিষ শর্করা, ভিটামিন, খনিজ, স্হসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের প্রয়ােজনীয়তার দিক আলাকপাত করেন। এ আলোচনা সভায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবিদের উপস্থিতিতে ডিভিএম এর ডিন, প্রফেসর ড. মােহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডেইরি অ্যান্ড পােল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. মােঃ মাের্শেদুর রহমান তাদের সুচিন্তিত বক্তব্য প্রদান করেন। দুধের অগ্রণী ভূমিকা আগামী সােনালী সমাজ বিনির্মাণে মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হবে যার সুখময় ফল ভােগ করবে দেশ তথা বৈশ্বিক অঙ্গন এমনটি প্রত্যাশা উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দের।