বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
শ্রীপুরে জমি দখল নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: শফিকুল ও রফিক সরকারের সংবাদ সম্মেলন রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) রেজাউল করিম পেলেন ‘ফুটবল’ প্রতীক গাজীপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ছদ্মবেশে অভিযান অবৈধ স্পিরিট উদ্ধার,গ্রেপ্তার ২ রংপুর-১ আসনে নির্বাচনে ছয় প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ  জাতীয় পার্টিকেই না করে দেবে জনগণ: আখতার হোসেন গণভোটে হ্যাঁ দিলে দলীয় সরকারের অধীনে আর নির্বাচন হবে না -ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ভেড়ামারায় অধিক মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে জরিমানা ভেড়ামারায় শীতার্তদের পাশে দাঁড়ালেন ব্র্যাক  ব্যাটারির দুশ্চিন্তা কমাতে ১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ‘লং-লাইফ টাইটান ব্যাটারি’ আনছে রিয়েলমি রেডমি নোট ১৫ সিরিজের মোড়কে তিনটি নতুন স্মার্টফোন আনলো শাওমি

বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশ করলেন ইঞ্জিনিয়ার আরশাদ পারভেজ, জনমনে চরম ক্ষোভ

রিপোর্টারের নাম / ২৯৮ টাইম ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১২, ২০২৩, ৯:২৮ অপরাহ্ণ

কামাল যশোর

 

কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই এবং ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সরকারি দলের এক নেতা বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়েরই মাঠে করেছেন রাজনৈতিক জনসভা। এর ফলে নির্ধারীত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষমতাধর নেতা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অধিভূক্ত বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আরশাদ পারভেজ। এ জনসভাকে কেন্দ্র করে বাঘারপাড়ায় চলছে মিশ্র আলোচনা। গত মঙ্গলবার উপজেলা সদরের বাঘারপাড়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও দোহাকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ রাজনৈতিক জনসভার আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে বিদ্যালয় দুটির মাঠে মঞ্চ তৈরি ছাড়াও সকাল ১১টা থেকে মাইক বাজতে থাকে। সরেজমিনে দেখা যায়, শোডাউনে যাওয়ার জন্য মাঠে মোটরসাইকেল জমায়েত হচ্ছেন আরশাদ পারভেজের অনুসারীরা। বাইক, মাইক্রো ও প্রাইভেটের হর্নের শব্দে দিশেহারা প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা। যা থেকে পরিত্রান পেতে নির্দিষ্ট সময়ের আগে ছুটি হয়েছে বিদ্যালয়। শ্রেণী কক্ষের পাশেই চলছে পাঁচ হাজার লোকের গনভোজ উপলক্ষে রান্নার প্রস্তুতি। মাইকের আওয়াজে ব্যহত হচ্ছে শ্রেণী কক্ষের পাঠদান। শিক্ষার্থীরা কানে আঙ্গুল দিয়ে বসে আছে বেঞ্চে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, টিফিনের সময় স্কুল মাঠে শত শত লোক উপস্থিত হয়। এসময় মেয়েদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বিদ্যালয় টিফিন টাইমে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষিত রাজনৈতিক নেতা যদি শিক্ষার কদর বা পিপারেশ না বোঝেন তবে এ জাতীর পতন অনিবার্য। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাঘারপাড়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলহাস উদ্দীন বলেন, খাবার রাখার জন্য আমার কাছে একটা রুম চাওয়া হয়েছে। কিন্তু জনসভা বা মহড়ার কথা আমাকে জানানো হয়নি। অনুমতি নেওয়া প্রসঙ্গে বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিল্লুর রশিদ বলেন, আমার থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। এ ব্যাপারে সাংবাদিককে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন এ শিক্ষা অফিসার। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে রাজনৈতিক সমাবেশ চলার বিধি নিষেধ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি অফিসার হোসনে আরা তান্নির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ট্রেনিংয়ে আছেন বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর