শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, নিজস্ব প্রতিবেদক।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জামাতা, সফল রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বামী, বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া’র ১৫’তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা’র সম্পাদক, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (কেন্দ্রীয় কমিটি’র) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ জাতির পিতা পরিষদ – (ঢাকা মহানগর উত্তরের) সফল সভাপতি, খান সেলিম রহমান।
বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া’র ১৫’তম মৃত্যুবার্ষিকীতে, বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছে, খান সেলিম রহমান বলেন।
আজ (৯’ মে ২০২৪) বৃহস্পতিবার, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জামাতা, মমতাময়ী দেশমাতা সফল রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী, প্রয়াত পরমাণু বিজ্ঞানী, প্রয়াত ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া’র (১৫’তম মৃত্যুবার্ষিকী) বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী ছিলেন তিনি।
২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। ১৬’ই ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৪২ সালে লালদিঘীর ফতেহপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
প্রয়াত ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি তাঁর সমগ্র কর্মজীবনে মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ, জাতি ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
আজন্ম সৎ, নির্লোভ ও নিখাদ দেশপ্রেমিক এই পরমাণু বিজ্ঞানী (১৭’ই নভেম্বর ১৯৬৭ সালে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান মমতাময়ী দেশমাতা সফল রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
১৫’ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সময় স্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জার্মানিতে অবস্থান করেছিলেন তিনি। এসময় বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানাও তাদের সঙ্গে ছিলেন। ১৫’ই আগস্টের নৃশংস ঘটনার পর সাত বছর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে তিনি নির্বাসিত জীবন কাটান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন, তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মৃত্যুর পর পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে তাঁর বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
খান সেলিম রহমান আরও বলেন। “মৃত্যু বড় অদ্ভুত একটা জিনিস সৃষ্টিকর্তা যেমন প্রতিটি প্রাণীকে সৃষ্টি করেছেন ঠিক তেমনি প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তাই এই পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা যত কিছুই সৃষ্টি করেছেন সবকিছুরই একদিন মৃত্যু অবধারিত। তাই আমরা সবসময় প্রতিদিন অন্তত ১০ বার করে হলেও মৃত্যুর কথা স্মরণ করবো। তাহলে আমরা কখনোই সৃষ্টিকর্তার হুকুমের বাইরে যাব না, কারণ মৃত্যুর কথা মনে হলে আমাদের মনে একটি ভয় ঢুকে যায় কখন যেন আমাদের মৃত্যু হয়ে যায়, আমাদের এমন ভাবে চলা উচিৎ যেন আজকেই জীবনের শেষ দিন।
আজকে এইদিনে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া’র ১৫’তম মৃত্যুবার্ষিকীতে, বিনম্র শ্রদ্ধা৷ দোয়া করি মহান আল্লাহ্ তা’য়ালা যেন উনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মোকাম জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন, আমিন।