মাহমুদুল হাসান
রমজান শুরু হওয়ায় ব্রয়লার মুরগি, পেঁয়াজ, খেজুর, লেবু, শসা সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে। এর ফলে নিম্ন-আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২ মার্চ শুরু হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। এর আগেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে বাজারে।
ভেড়ামারার বাজারে খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে গেছে।
রমজানের আগেই সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ার প্রশ্নের জবাবে আমদানি পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, আমাদের বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়। তাই আমরা সেই দাম থেকে কিছুটা লাভ করে বিক্রি করি।
শানিবার (১ লা মার্চ) সকাল থেকে ভেড়ামারার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে মনিটরিং করতে দেখা যায়নি।
গত এক মাসের তুলনায় প্রায় ২০ ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। প্রতিবছর এই সময়ে পন্যর দাম বেড়ে যায় বলে ভোক্তা অধিকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল বাজারে পণ্যের দাম যেন না বাড়তে সেজন্য বাজারে মনিটরিং টিম পর্যবেক্ষণ করবেন কিন্তু বাস্তবে তা কাউকে লক্ষ্য করা যায়নি।
কয়েক দফায় মূল্যবৃদ্ধির পরও এখনো বেড়েই চলছে পণ্যর দাম।
বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতারা বলেন, সব জিনিসের দাম যেভাবে বাড়ছে আমাদের আয় আর সেইভাবে বাড়ছে না। এখনই এত দাম, পুরো রমজান পরে আছে সামনে ঈদ কী হবে সেই চিন্তা করছি।
রোজার আগে বাজারে পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে চাল, চিনি, তেল ও খেজুরের শুল্ক-কর কমিয়েছে সরকার।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এসব পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর ঘোষণা দিলেও এখনও বাজারে কোনো পণ্যের দাম কমার লক্ষণ দেখা যায়নি।