শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
তিস্তা বাচাই আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক দুলু নির্বাচিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ ভেড়ামারায় অতর্কিত হামলায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ঘিরে ফুলের দোকানে ভিড় নবনির্বাচিত এমপি প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলেল শুভেচ্ছা  ফুলে ফুলে সেজেছে বসন্ত যোগ্য পিতার উত্তরসূরি রাফসান ইসলাম: আবুল কালামের বিজয়ে নেপথ্য ভূমিকা গাজীপুর- ১আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান গাজীপুরে সৎ মায়ের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ,পলাতক ছেলে কুষ্টিয়া-২ আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াত প্রার্থী আব্দুল গফুর বিজয়ী ভোটের ঝড়ে নতুন ভোর-বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয় : প্রফেসর ড. মো: আবু তালেব, বাউবি

ভেড়ামারায় সব স্থানে চলছে পলিথিনের অবাধ ব্যবহার

রিপোর্টারের নাম / ১২৬ টাইম ভিউ
আপডেট : সোমবার, নভেম্বর ২৫, ২০২৪, ৭:১৬ অপরাহ্ণ

মাহমুদুল হাসান

 

দেশব্যাপী পলিথিনের ব্যবহার, ক্রয় ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পাত্তা না দিয়ে ভেড়ামারার সব স্থানে চলছে পলিথিনের অবাধ ব্যবহার। তবে সুপারশপ গুলোতে ঘুরে দেখা যায়, তারা মেনে চলছে সরকারের এই নির্দেশনা। ভেড়ামারার কলেজ বাজার, পৌর বাজার, মধ্য বাজারসহ বিভিন্ন বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, স্বাভাবিকভাবে আগের মতোই পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার করতে। অন্তবর্তী সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গত ৯ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, ১ অক্টোবর থেকে সুপারশপে কোনো পলিথিন বা পলি প্রপাইলিনের ব্যাগ ব্যবহার করা যাবে না। বিকল্প হিসেবে কাগজ, পাট ও কাপড়ের ব্যাগ ক্রেতাদের দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ১ নভেম্বর থেকে খুচরা বাজারেও এসব ব্যাগ ব্যবহার নিষেধ। যা পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। সুপারশপ গুলোতে সরকারের ওই নির্দেশনা মেনে চললেও ঘোষণা অনুযায়ী খুচরা বাজারে পলিথিন ব্যাগ বন্ধের চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু বাজারে পলিথিন চলছে অবাধে।

ভেড়ামারার কলেজ বাজার, পৌর বাজার, মধ্য বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, স্বাভাবিক সময়ের মতোই ব্যবহার ও বিক্রি হচ্ছে পলিথিন। অনেকে দোকানে লুকিয়ে রেখেছেন, কেউবা আবার প্রকাশ্যে ব্যবহার ও বিক্রি করছেন। ছোট, বড় বা মাঝারি দোকানের অনেকেই পলিথিন নিষিদ্ধের বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, পলিথিন ব্যাগের বিকল্প সামগ্রী ব্যয়বহুল। একই সঙ্গে পাটের বা কাপড়ের ব্যাগ সহজলভ্য না। এ বিষয়ে বাজারের তরকারি বিক্রেতারা বলেন, পলিথিন বন্ধ হলে আমরাও কাগজের ঠোঙা ব্যবহার করতে পারব। কারখানায় পলিথিন তৈরি বন্ধ না করতে পারলে এটা বাজারে এসে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করা যাবে না।একই বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা বলেন, বিকল্প তৈরি না করেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় আমরা বিপাকে পড়েছি। তবে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।এদিকে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে। এবার পলিথিন বন্ধে আর ছাড় দেওয়া হবে না এমনই বার্তাও দিচ্ছেন সরকার। অনেকে বলছে, বাজারে গিয়ে পলিথিন খুঁজে বের করে সাজা দেওয়ার ব্যবস্থা করা কোনো পদ্ধতি হতে পারে না। কারণ, বাজারে পলিথিন কোথায় থেকে আসে? এর উৎপাদন যে জায়গায় হয়, যারা উৎপাদন করেন, তাদের যদি দৃষ্ঠান্তমূলক আর্থিক জরিমানা করা যায়, তাহলে পলিথিন বাজারে আসবে না বা ব্যবহারো হবে না। জনগনের মধ্যে সচেতনামুলক আরো কার্যকারি পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রায়জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর