শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
ভেড়ামারায় এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমানোর সুফল নেই বিক্রি বাড়তি দামেই ভেড়ামারায় জ্যেষ্ঠ নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ উচ্চ শিক্ষায় জ্ঞানচর্চার বর্তমান বাস্তবতা: প্রফেসর ড. মো: আবু তালেব  কাশিমপুর কারাগার থেকে কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর  স্বামীর গচ্ছিত টাকা ফেরত দিতে কিডনি বিক্রির আকুতি, পাশে দাঁড়ালেন ডাঃ মোতাসিম বিল্লাহ আলম  স্লিম কমিউনিটির উদ্যোগে গাজীপুরে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মোংলা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ১৪জন নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন গাজীপুর মহাসড়কের দুই পাশের বর্জ্য সরিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় আনা হবে মোংলায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংঘের ইফতার ও দোয়া মাহফিল গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও নৈশভোজ

মধুপুরে গাছ নিধনের পর বনে আগুন ! ৭৫ একর ভূমি জবরদখলের পায়তারা

আব্দুল হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি / ৪২ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

 

মধুপুর বনাঞ্চলে প্রকাশ্য দিবালোকে গাছ নিধনের পর বনে আগুন লাগিয়ে ৭৫ একর বনভূমি জবর দখলের পায়তারা চলছে। প্রভাবশালীরা বন দখলের নেপথ্যে থাকায় ঘটনার দুই সপ্তাহ পরেও বন অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বন কর্মীদের নির্লিপ্ত ভূমিকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, দোখলা রেঞ্জের সদর বিটের অরনখোলা মৌজার ২৪ দাগের মাগী চেরা এলাকার ৭৫ একর বনভূমি ২০২১-২২ অর্থ বছরে সামাজিক বনায়নের আওতায় ৮৫ অংশীদারের মধ্যে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। অংশদারত্বের উডলট মডেলের বনায়নে প্লটধারিরা আকাশমনি গাছের চারা লাগায়। বৃক্ষ চারার ফাঁকে আনারস ও কলা চারা লাগায়। এসব গাছ ১০/১২ বছর পার হওয়ার পর ক্লেয়ার ফেলিং করে হিস্যা বন্টনের কথা। কিন্তু প্লট হোল্ডাররা গাছের বয়স চার বছর পার না হতেই নির্বিচারে কেটে জ্বালানী হিসাবে ইটভাটায় চালান দেয়। ফলে বনায়ন করা এলাকার প্রায় পুরোটাই বৃক্ষ শূণ্য হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় প্লট মালিকরা বনতলের জঙ্গলে অগ্নি সংযোগ করে জমি খালি করে ফেলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব খালি জমি এখন প্রভাবশালী দখলে নিচ্ছে।

সামাজিক বনায়ন সহব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোত্তালেব হোসেন জানান, বন কর্মীদের যোগসাজশে একটি প্রভাবশালীমহল টানা দুই সপ্তাহ জুড়ে সেখানকার সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে জমি বিরান করে। পরে বনতলের জঙ্গলে আগুন লাগিয়ে পুরো জমি জবরদখলে নিচ্ছে।

এসব জমিতে নতুন করে আর বনায়ন হবেনা। পুরোটাই চলে যাচ্ছে দখলদারের হাতে। এ ভাবেই মধুপুর বনাঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার একর বনভূমি জবরদখলে চলে গেছে।

সামনের দিনে সরকারি বনভূমি আরো বেহাত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। হরিনধরা গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, যারা এ কাজ করছে তাদের সবাই চিনে। কিন্তু বন বিভাগ বন অপরাধী খোঁজার নামে সময় ক্ষেপন করছে।

দোখলা বিট অফিসার এ কে আজাদ জানান, গাছ নিধন এবং বনতলে আগুন দেয়ার খবর পান তিন দিন আগে। এর সাথে জড়িতদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। অফিস থেকে মাত্র এক কিলো দূরের মাগী চেরায় টানা ১৫ দিন ধরে গাছ কাটা এবং আগুনে বন পোড়ানোর মহোৎসবের খবর পেতে কেন ১২ দিন লাগলো প্রশ্নে জানান, তিনি দুই সপ্তাহ আগে জয়েন করেছেন। সবাইকে চেনেননা। তাই চোর আর সাধু মেলাতে তদন্ত করতে হচ্ছে। দোখলা রেঞ্জ অফিসার সাব্বির হোসেন জানান, দুস্কৃৃতকারিরা সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে জঙ্গল পুড়িয়ে জবরদখলের পায়তারা করছেন বলে তিনি শুনেছেন। বিট অফিসার বিষয়টি দেখছেন। মধুপুর বনাঞ্চলের সহকারি বন সংরক্ষক রানা দেব জানান,কয়েকজন প্লট হোল্ডার আকাশমনি বাগান উজাড় করে আগুনে পুড়িয়ে জমি দখল এবং তা প্রভাবশালীদের নিকট বিক্রি করার পায়তারা করছেন। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর