শামীম আল মামুন শ্রীপুর, গাজীপুর
কথায় আছে যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান, বাবার যেমন সাংবাদিকতায় রয়েছে দেশজোরা নাম.. ঠিক তেমনই একজন প্রতিভাবান সাংবাদিক মাহিদুল হাসান সরকার ওরফে ডাকনাম মাহি। যার সাংবাদিকতায় রয়েছে বাবার মতই অনেক নাম ডাক। তার বাবা
আমার বাবা ছিল সাংবাদিক সর্বদা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ লেখে গেছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কখনো তার কলম কে মাথানত করেন নি, করেননি এই জাতীর বিবেক কে কখনো কলশিত যার জন্যই তাকে সবাই নির্ভীক সাংবাদিক নামেই চেনেন।
আর তারই সন্তান মাহিদুল হাসান সরকার (মাহি) বাবার পেশাকে ভালোবেসে নিজে বেছে নিয়েছি সাংবাদিকতা পেশা। এই মাহিদুল হাসান সরকার জীবনে চলার পথে কখনো কোন মানুষ দেখে অবহেলা করেন নি বরং সবসময় মন খুলে সবার সঙ্গে কথা বলেছে। সে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার কৃতি সন্তান এবং সুনামের সহিত বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সকল দায়িত্ব পালন করে আসছেন ।
মাহিদুল হাসান সরকার বলেন, আমার জীবনে আমি কখনো কোন মানুষকে নিয়ে সমালোচনা করি নাই কোন অপরাধীর সঙ্গে আপোষ করি নাই সাংবাদিকতার এই ছোট্ট বয়সে সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে অনেক হুমকির শিকার হয়েছি হামলা মামলার শিকার হয়েছি তারপরও কখনও পিছনে ফিরে তাকাই নি কারণ সাংবাদিকতা পেশাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি আমি যতদিন বাঁচবো এই পেশাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি মূল্যায়ন করে যাব।
এই সাংবাদিক মাহিদুল হাসান সরকার মাহির বিষয়ে বগুড়ার কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিকের সাথে কথা হলে তারা জানান, সাংবাদিক মাহিদুল হাসান সরকার অনেক বড় মনের মানুষ আমরা দেখেছি সাংবাদিকতায় নতুন যারা এসেছে তাদেরকে নিয়ে অনেক সিনিয়র সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় সমালোচনা করেছে কিন্তু আমরা লক্ষ্য করে দেখেছি সাংবাদিক মাহিদুল হাসান তাঁর হাতে অনেক সাংবাদিক তৈরি হয়েছে কখনো কোনো সাংবাদিককে অবহেলা বা সমালোচনা করেন নি তিনি তার হাত ধরে হাজারো সাংবাদিক তৈরি করেছে, নিজ হাতে কলমে কাজ শিখিয়েছে আমরা চাই এরকম সাংবাদিক প্রত্যেক জেলায় যেন হয় যাতে করে নবীনদের কাজ করা অনেক সুবিধা পাবে বলে আমরা আশা করি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের বগুড়া জেলার সভাপতি মতিন খন্দকারের সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, সাংবাদিক মাহিদুল হাসান নাহি তার বাবার আদষ্য কে কাজে লাগিয়ে সবার বিপদে আপদে সাহায্য করেছেন। আসলে মাহিদুল হাসান সরকার বগুড়ার গর্ব। মাহিদুল হাসান সরকার দেখেছি করোনা কালীন দূর্যোগের সময়ে বিভিন্ন দরিদ্র সাংবাদিকের বাড়িতে তিনি নিজ হাতে খাবার গুছিয়ে দিয়েছেন এবং সর্বসময় খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি একজন মানবতার ফেরিওয়ালা অসহায় মানুষের বন্ধু দোয়া করি এরকম সাংবাদিক যেন প্রত্যেক জেলায় ঘরে ঘরে জন্ম নিক।