শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
শ্রীপুরে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান, উপস্থিত ছিলেন ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু সুবর্ণচরে নিয়োগবিধি বাস্তবায়নের দাবিতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচি গাজীপুরের শ্রীপুরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল সিমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু গাজীপুরে ভূমি সেবা মানোন্নয়নে ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গণশুনানি শ্রীপুরে শালবনের ভেতর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে গাইবান্ধায় অ্যাডভোকেসি সভা সুবর্ণচরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত  ভেড়ামারায় পুকুর থেকে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার শ্রীপুরে, হাজ্বী হাছেন আলী এতিমখানার উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোংলায় জেঁকে বসেছে শীত, আগুন জ্বালিয়ে নিবারণ’র চেষ্টা

রিপোর্টারের নাম / ৩০২ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৩, ১:২৭ অপরাহ্ণ

বায়জিদ হোসেন, মোংলা

সারাদেশে ঠান্ডার প্রভাব বেশি পড়ছে দক্ষিণ জনপদের মোংলায়। দিনের বেলায় একটু রোদ থাকলেও বিকেল হওয়ার সাথে সাথে হিমেল হাওয়ায় বদলে যায় দৃশ্যপট। উপজেলা জুড়ে গতবারের চেয়ে এবার শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। সকালে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। শীতের সময় সকাল ও বিকেলে ঘন কুয়াশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হিমেল হাওয়া।

ঘন কুয়াশার কারনে চলাচলে ঘটছে বিঘ্নতা। সন্ধ্যার পরে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দেখা মিলছে শীতের পোশাক পরিহিত মানুষদের। কোথাও দেখা যাচ্ছে ভ্রাম্যমাণ শীতকালীন গরম পোশাকের দোকান। শীতের আগমনে শীতকালীন পিঠাপুলির দোকান ভিড় জমাচ্ছে সাধারণ মানুষ। কিছুটা উষ্ণতার আসায় চায়ের দোকানে ভিড় করছে মধ্যে বয়স্ক। প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ায় শীতের পোশাকের আকুতি জানান কয়েকজন বয়োবৃদ্ধারা।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিদের সকালে খর দিয়ে; আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের দৃশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো। একসাথে বসে গল্প আড্ডায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে অনেকে। চাঁদর মুরি দিয়ে কাঁপতে কাঁপতে আবু হানিফ বলেন, “বাবারে যে এনা চলাচল করতে পাচ্ছুনু শীত আসাতে তাও বন্ধ হয়ে গেছে। শীতের কারণে কোথাও যাবার পাচ্ছোনা। সকালে আর বিকালে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করো। রাইতোত অনেক গুলো ক্যাথা গায়ে দেও তারপরও কেন জানি হাঁটু কাঁপা-কাঁপি করে। চায়ের চুমুক দিতে দিতে সবুজ বলেন, মামুরে গ্রামে যে ঠান্ডা। ঢাকায় থাকাকালীন এত ঠান্ডা পাই নাই।

রাতে এখন যে হারে শীত পরে, তাতে মনে হচ্ছে এবার শীতে সাধারণ মানুষের হাটু কাঁপবে। আমাদের এলাকায় যে ঠান্ডা তাই সন্ধ্যা হলেই বাড়ি থেকে সুয়েটার পরে বের হই। সন্ধ্যাবেলা থেকেই যে ঠান্ডা লাগে। সেই সাথে কুয়াশা আর বাতাস তো আছেই। আমাদের এলাকায় প্রচন্ড শীত, আগে এ রকম ঠান্ডা অনুভব করিনি। সেই সঙ্গে ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কুয়াশা পড়ছে প্রচুর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর