বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ
পৌষ-পার্বন উপলক্ষে মোংলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব। পৌষ মাসের শেষ দিনে উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের কালী বাড়ী, বৈরাগখালী গ্রামের নারীরা এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করে।গত ছয় বছর ধরে পৌষ মাসের শেষের ৫ দিন থেকে পিঠা উৎসব পালনের সকল প্রস্তুতি শুরু করেন মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তারপর পৌষের শেষ দিনে ব্যাপক আয়েজনে উদযাপন করা হয় পৌষ পার্বন পিঠা মেলার। নানা শ্রেনীপেশা ও সকল ধর্মের মানুষ এ পিঠা মেলায় আসেন। এবারও এমন সকল আয়োজনের শেষে পৌষের শেষ দিন অনুষ্ঠিত হয় পৌষের পিঠা উৎসব।
রবিবার (১৫ জানুয়ারী) সকাল থেকে শুরু হয় পিঠা তৈরীর কাজ। সারিবদ্ধ ভাবে চুলা তৈরী করে গ্রামের বিভিন্ন বয়সের নারীরা ওইসব চুলায় বিভিন্ন রকমের পিঠা বানানো শুরু করেন। এর পর তাবু টানিয়ে রাতে সবাই সারিবদ্ধভাবে বসে চলে পিঠা খাওয়ার আয়োজন। মুলত পিঠার সঙ্গে পৌষ সংক্রান্তি শব্দটি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে পৌষ পার্বন সংক্রান্তি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনেকেই এই দিনের আগে পৌষের শীতের পিঠা খান না আর তাই সংক্রান্তি পিঠার আয়োজন বিশাল উৎসবে পরিণত হয়। তবে এখানে সকল ধর্মের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ আসেন এবং তারাও এমন উৎসবের আয়োজনে সামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, গত ছয় বছর আগে থেকে মোংলার বুড়িরডাঙ্গায় শুরু হয় পিঠা উৎসবের আয়োজন। প্রতি বছর একটি স্পটে এ আয়োজন সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার তিনটি স্থানে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে ।
ভবিষ্যতে এ আয়োজন ছড়িয়ে দেওয়া হবে পুরো উপজেলা ব্যাপী। তিনটি স্থানে অনুষ্ঠিত দিন ব্যাপি পিঠা উৎসবে যোগ দেয় বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হাজার হাজার মানুষ।