পীরজাদা মোঃ মাসুদ হোসেনঃ
প্রায় ২ বছর ১০ মাস আগে রায়পুর পৌরসভার দায়িত্ব নেন তরুন নেতা গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট। মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাটের ২ বছর ১০ মাসে রায়পুর পৌরসভা এলাকায় একশ’র বেশি রাস্তা পাকা হয়েছে, যাহা বিগত ১০ বছরেও কোনো মেয়র করতে পারেনি।
৯ কোটি টাকার ড্রেন সহ সর্বোমোট প্রায় ৩০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার হয়ে গেছে।
গরীব দুঃখীদের জন্য ২১ টি বাড়ির ঘাটলা করে দেওয়া হয়েছে।
রায়পুর পৌর শিশু পার্কের ডিজাইন করা হয়েছে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে কিন্তু জায়গার জটিলতার কারনে এখনো টেন্ডার করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।
পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ৮ কোটি টাকা ব্যায়ে ৭তলা ভবনের একটি প্রকল্প অনুমোদন করে রেখেছেন কিন্তু ২৫ শতাংশ জায়গার অভাবে আজ প্রায় দেড় বছর হয়েছে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়ে উঠেনি।
যানজট নিরসনে কমিউনিটি পুলিশ গঠন করে পৌর মেয়র কাজ করে যাচ্ছেন।
একটি ট্রাফিক পুলিশ ব্ক্স করে দেওয়া হয়েছে যানজট নিরসনে যাহা উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে মেয়র রুবেল ভাট দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে।
পরিস্কার পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে একটি প্রাইভেট কোম্পানি দিয়ে কাজ করাচ্ছে যা ইতিমধ্যে এর সুফল পৌরবাসি দেখতে পাচ্ছেন।
মহিলা কলেজের রাস্তা ২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়ে গেছে।
মধুপুরে নশু পাটওয়ারী সড়ক ২ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
পৌর ৬ নং ওয়ার্ডে টি এন্ড টি সড়কটি ২ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কাজের টেন্ডার হয়েছে,খুব শিঘ্রই কাজটি শুরু হবে।
পৌর ২ নং ওয়ার্ডে খান বাড়ির রাস্তা ২ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
পৌর ৮ নং ওয়ার্ডে জাকির পাটওয়ারী বাড়ির রাস্তা, মালের বাড়ির রাস্তা,চৌধুরী বাড়ির রাস্তার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
গাজী মার্কেটের রাস্তার কাজ টেন্ডার হয়ে গেছে ৩৫ লক্ষ টাকায়, কাজ শুরু হবে খুব শীঘ্রই।
খাল সচল রাখার জন্য পৌর এলাকার সবগুলো খাল পুনঃখনন ও মেরামতের একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে।
পৌর এলাকাকে আরো বেশী আলোকিত করার লক্ষ্যে স্ট্রিট লাইটের একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
আগের মেয়রদের আমলে কর্মচারী কর্মকর্তাদের ১৩ মাসের বেতন বকেয়ার মধ্যে ৭ মাস পরিশোধ করে দিয়েছেন বর্তমান মেয়র গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট।
রুবেল ভাটের আমলে এক টাকাও বকেয়া নেই, প্রত্যেক মাসের বেতন ভাতা প্রত্যেক মাসেই দিয়ে যাচ্ছেন।
সেবার মান বৃদ্ধিকল্পে প্রত্যেক বিভাগকে আধুনিক এবং ডিজিটালাইজড করে দিয়েছেন।
পৌর কার্যালয়ের প্রত্যেক রুমে সিসি ক্যামেরা এবং ইন্টারকম ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
পৌর কার্যালয় আধুনিক এবং নতুনভাবে মেরামত করেছেন।
গাড়ি রাখার শেড করে দিয়েছেন।
পৌর কার্যালয়ে কাজের ব্যাঘাত যাতে না ঘটে বিদ্যুৎ চলে গেলেও যেনো কাজ করতে পারে সেই জন্য জেনারেটর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
মেয়র নিজেই রাত-বিরেতে প্রত্যেক টি বিভাগকে তদারকি করেন।
এছাড়াও ৯ টি ওয়ার্ডে ৫০ টি বাড়ির রাস্তার কাজ শুরু হবে শীঘ্রই, টেন্ডারও হয়ে গেছে।
১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু নাসের বাবু বলেন, যারা মেয়র রুবেল ভাটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে,মেয়র রুবেল ভাটের ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, তারা ভুলে গেছে, রুবেল ভাট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্ত এবং আস্থাভাজন।
এই ২ বছর ১০ মাসে মেয়র ও পৌর পরিষদ সততা এবং কাজের মাধ্যমে জনসাধারনের মাঝে স্থান করে নিয়েছেন।
মেয়র রুবেল ভাট কিছু না করলেও জনসাধারণই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সঠিক জবাব দিয়ে বুঝিয়ে দিবে মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট একজন সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি, যিনি সৎ, নিষ্ঠাবান, বিচক্ষণ এবং ন্যায় পরায়ন। তার হাত ধরেই রায়পুর পৌরসভার উন্নয়ন সম্ভব। এতএব কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে কোনো লাভ হবে না।
মেয়র রুবেল ভাট বলেন, আমেরিকার বিলাসী জীবন ছেড়ে এসেছি নিজ মার্তৃভূমির উন্নয়ন করার জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা মার্কা দিয়ে পাঠিয়েছে। আমি তাঁর মান রাখবো। রায়পুর পৌরসভাকে উন্নত বিশ্বের ন্যায় একটি আধুনিক পৌরসভায় রুপান্তর করতে চাই। সেই লক্ষে সকল কাউন্সিলর এবং গন্যমান্য লোকজনের পরামর্শে জনগনকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। কোন ষড়যন্ত্রই আমাকে আমার কাজের গতি থেকে সরাতে পারবেনা। যতোদিন বেঁচে থাকবো, জনগনের সেবা করেই যাবো। সবশেষে তিনি সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও ভালোবাসা ছেয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।