বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
শ্রীপুরে ৪০ দিনব্যাপী ফজর ক্যাম্পেইন সম্পন্ন, অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার প্রদান পাইকগাছায় সামছুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ  পাইকগাছায় অগ্নিকাণ্ডে মুদি দোকান ভস্মীভূত  এলজিআরডি মন্ত্রীর একান্ত সচিব ইউনুস ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেলেন নবাব সীমান্তে সিসিটিভিতে ধরা পড়ল কুকুর সদৃশ রোবট আতংকে এলাকবাসী পাইকগাছায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  পাইকগাছার ঐতিহ্য রক্ষায় বড় উদ্যোগ বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মভিটা সংস্কারে নেমেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর শ্রীপুরবাসীকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুল ইসলাম ভেড়ামারায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৩ দোকানিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা কয়রায় প্রকল্প ও  পাইলট কার্যক্রমের সাফল্য চ্যালেজ ও করণীয় বিষয়ে বিশ্লেষন সভা

রোজার আগে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে

মাহমুদুল হাসান চন্দন ভেরামারা প্রতিনিধি / ৫৩ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ

মাহমুদুল হাসান চন্দন ভেরামারা প্রতিনিধি 

আর মাত্র এক মাস পর পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। প্রতিবছর রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যায় না।

 

বাজারে আমন মৌসুমের নতুন চাল আসতে শুরু করলেও পুরোনো চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা। ভেড়ামারার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন মাঝারি চাল (বিআর-২৮, বিআর-২৯ ও পাইজাম) বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। তবে একই মানের পুরোনো চালের দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

 

মিনিকেট চালের দামও বেড়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭২ থেকে ৮৬ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ৪ থেকে ৫ টাকা কম ছিল। নাজিরশাইল চালের দামও বেড়েছে। দেশি নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭২ থেকে ৮৫ টাকায়, যা ১০ দিন আগে ছিল ৭০ থেকে ৮২ টাকা। আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকায়।

 

দোকানীরা জানান, নতুন মৌসুমের চাল বাজারে এলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আগেই পুরোনো চালের দাম বেড়েছে। এতে রমজানে চালের বাজার আরও চড়া থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

 

এদিকে চিনি ও ডালজাতীয় পণ্যের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১০০ টাকায়, আর প্যাকেট চিনি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়।

 

অ্যাংকর ডালের কেজি এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়, তবে মোটা দানার মসুর ডালের দাম স্থিতিশীল থেকে ১০০ টাকায় রয়েছে।দীর্ঘদিন পর মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১০ থেকে ১৫ টাকা।সোনালি জাতের মুরগির কেজি দর ২৮০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে রয়েছে।

রোজার আগে নিত্যপণ্যের বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধিতে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর