লামা(বান্দরবান)প্রতিনিধি
তর্কিত ভূমির গাছ কর্তনের ছবি তোলার কারনে আজিজনগরে একজন হার্টের রোগিকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছেন আবুল কাশেম গং। হামলার শিকার প্রাণে বেঁচে যাওয়া মো: জাবের হোসেন লামা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছে, সে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। কিছুদিন আগে ওপেন হার্ট সার্জারী হয় জাবের হোসেনের। তার উপর আজকের হামলা সে শারিরীকভাবে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাবের হোসেন এর দায়েরকৃত এজাহারে প্রকাশ, তার ক্রয়কৃত ৩০৬ নং ফাইতং মৌজার আর ৪৭০ নং হোল্ডিংয়ের সাড়ে চার একর ৩য় শ্রেণীর জায়গা থেকে আবুল কাশেম গং জোরপূর্বক গাছ কর্তন পরিবহন করছে। ২৬ মার্চ এ বিষয়ে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ি সরেজমিন গিয়ে তর্কিত ভূমিতে গাছ কর্তন না করার জন্য বলে আসে। কিন্ত জবর দখল হাঙ্গামাকারী আবুল কাশেম কারো কোনো বাঁধার তোয়াক্কা না করে, একদল লাঠিয়াল নিয়ে জাবের হোসেনের ক্রয়কৃত ভূমি থেকে বিভিন্ন জাতের এক হাজার গাছ কেটে নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ২৮ মার্চ সকাল ১০টার দিকে জাবের হোসেন বাগানে গিয়ে দেখতে পায়, কাশেমের নেতৃত্বে গাছ কর্তন করতেছে একদল বনদস্যু। এ সময় জাবের হোসেন মোবাইল ফোনে ছবি ধারণ করতে চায়লে, কাশেমগং তাকে ধরে মারপিট করে এবং পকেট থেকে ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এর পর জাবের হোসেনকে জিম্মি করে তার হাতে দা ধরিয়ে দিয়ে এবং আবুল কাশেম এর পুত্রবধুকে পাশে দাঁড়িয়ে রেখে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখেন। মুমূর্ষু জাবের হোসেন জানান,আবুল কাসেম তার ছেলের বউকে দিয়ে ধর্ষণ মামলার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। আহত জাবের হোসেন (৫৫), পিতা- মৃত মমতাজ উদ্দিন, চেয়ারম্যান পাড়া, আজিজনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। আবুল কাশেম, পিতা মৃত এন্তাজ আলী, মোল্লারঝিরি ১ নং ওয়ার্ড চিউরতলী ফাইতং ইউনিয়নের বাসিন্দা। এই আবুল কাশেম কয়েকদিন আগে ছোট ভাইয়ের পরিবারের উপর হামলা করে জেল হাজতে যায়। জামিন পেয়ে ১০/১২ দিনের মাথায় আবার এই ঘটনা ঘটালো।
স্থানীয়রা জানায়, ‘তার এক ছেলে পুলিশ বাহিনীর বড় এক ক্যাডার অফিসার’। প্রতি সাপ্তাহে সে বাড়িতে এসে পরিবারকে নানানভাবে সাহস জুগিয়ে যায় এবং অন্যদেরকে নানান ভাষায় ধমক দিয়ে যায়।” চিউরতলীর এক মেম্বার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভারত সীমান্ত সাতক্ষিরা থেকে আসা এই আবুল কাশেম ও তার পরিবারের সবাই সন্ত্রাসী ও উচ্ছৃঙ্খল। অন্যরা জানায়, আবুল কাশেম তার আপন সহোদরদের সাথেও ভূমি নিয়ে দস্যুতা করেন।