শ্রীপুর গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর শ্রীপুরের মাওনা চকপাড়া গ্রামে অবস্থিত নাইস স্পান মিল সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা মোড়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় বসত বাড়ি,দোকান পার্ট ও অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে চকপাড়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা তাইজুদ্দিনের ছেলে আব্দুল জাব্বার দেনা পাওনার জেরে মেসার্স কাউছার এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসের আসবাবপত্র বাহির বের করে রাস্তায় রাখে। পরে তার বড় ভাই মোঃজসিম উদ্দিন এসে নিষেধ করলে সেগুলো রেখে চলে যায়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল জাব্বার বলেন,”আমি অফিস থেকে আসবাবপত্র বের করেছি সত্য। পরে আমার বড় ভাই নিষেধ করলে আমি চলে আসি।আমি কোন আসবাবপত্র ভাংচুর বা আগুন দেই নাই”।কে বা কাহারা আগুন দিয়েছে আমি দেখি নাই।”
এই ঘটনার জেরে গতকাল সন্ধ্যার পরে আব্দুল জাব্বারের বসতবাড়ি ও দোকানে হামলা এবং ভাংচুর চালায় প্রতিপক্ষ। বসতবাড়িতে হামলা ও দোকানপার্ট ভাংচুরের বিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল জাব্বারের স্ত্রী হালিমা খাতুন লিমা বলেন,”আমাদের বসতবাড়ি এবং দোকানে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে।যখন তারা হামলা চালায় তখন আমাদের বাড়িতে পুরুষ কেউ ছিলোনা। শুধু আমরা মহিলারা ছিলাম।
তিনি আরও বলেন আমাদের বাড়ি এবং দোকানে হামলাকারীদের মধ্যে দুইজনকে চিনতে পারি। তাদের মধ্যে একজনের নাম মোঃ সামিউর রশিদ আহাদ।তার পিতার নাম মোঃআবু বক্কর। মোঃ রনি সহ আরও পাঁচ থেকে সাতজনের দল ছিলো মাথায় হেলমেট থাকার কারনে তাদের চিনতে পারিনি।
বসতবাড়ি এবং দোকানে হামলা ও ভাংচুরের বিষয়ে আব্দুল জাব্বার বলেন,”আমার জমি বিক্রি করা ২৭,৮৪,১০০/টাকা ২০১৮ সালে জালিয়াতি করে নিয়ে গেছে।এই টাকা আমি এখনো পাইনি।মূলত এই টাকার জন্য আমি অফিসের আসবাবপত্র বের করি। ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের সাথে আমি জরিত নয় ।
ঘটনার বিষয়ে মোঃ সামিউর রশিদ আহাদ বলেন,”অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুরের সময় আমার বাবা বাঁধা দিলে তাকে অপমান করে। যাহারা অফিস ভাংচুর করে আসবাবপত্র বাহিরে বের করে অগ্নিসংযোগ করেছে তারা কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না ।
এ বিষয়ে কোনো পক্ষ আইনের আশ্রয় নেয়নি ।