রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ভেড়ামারায় নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন  কোনাবাড়ীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ভাড়াটিয়া দম্পতির উপর হামলার অভিযোগ তিস্তা বাচাই আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক দুলু নির্বাচিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ ভেড়ামারায় অতর্কিত হামলায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  বসন্ত-ভালোবাসা দিবস ঘিরে ফুলের দোকানে ভিড় নবনির্বাচিত এমপি প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলেল শুভেচ্ছা  ফুলে ফুলে সেজেছে বসন্ত যোগ্য পিতার উত্তরসূরি রাফসান ইসলাম: আবুল কালামের বিজয়ে নেপথ্য ভূমিকা

সিরতা ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে কার্ডধারীরা হয়রানির শিকার

রিপোর্টারের নাম / ৪১৮ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৩, ১০:১০ অপরাহ্ণ

রাকিবুল হাসান আহাদ, বিশেষ প্রতিনিধি

 

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণে হয়রানির শিকার হয়েছে কার্ডধারীরা। বুধবার (১৯ এপ্রিল ২০২৩) তারিখ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কার্ডধারী নারী/পুরুষ পরিষদের সামনে প্রচন্ড রুদ্রে দাড়িয়ে রয়েছে। দেরি করে করে চাল বিতরণ হচ্ছে। এমনকি ডিজিটাল মেশিনও আসপাশে দেখতে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান এর অনুপস্থিততে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের কাছে জানতে চাইলে সে বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব বাড়িতে গেছে তাই চাল বিতরণ বন্ধ রয়েছে। চেয়ারম্যান আসলেই আবার বিতরণ শুরু করে দিবো।

 

এ বিষয়ে গ্রাম পুলিশদের জিজ্ঞেস করা হলে চেয়ারম্যান সাহেব কতক্ষণ আগে মনে হয় বাড়ি গেছে। এই জন্য চাল বিতরণ করা বন্ধ রয়েছে। মানুষজন রোদে দাঁড়িয়ে থাকলে এখন আমরা কি করবো। এ দিকে চাল নিতে আসা হতদরিদ্র নারী পুরুষ বলছে ভিন্ন কথা। চাল মাপে কম দিতেছে। বালতি দিয়ে খেও মেরে চাল দিতেছে। ডিজিটাল মেশিন দিয়ে মেপে দেইনি। কতক্ষণ পর পর চাল দেয়া বন্ধ করে দেয়। চেয়ারম্যান কই চলে যা, আবার আসে চাল দেয়া শুরু করে। আবার চলে যা আবার আসে শুরু করে। এভাবে সারাদিন আমাদেরকে প্রচন্ড রুদ্রে দাঁড়িয়ে রাখতে তাদের ভালো লাগে। এক বয়স্ক মহিলা সহ একাধিক বয়বৃদ্ধ নারী পুরুষ বলেন, তারা বড়লোক বিধায় আমাদের কষ্ট দিতে তাদের ভালো লাগে। তারা আমাদের কষ্ট দেখে মজা পায়। আল্লাহ আমাদের গরীব বানায়ছে এই জন্য ১০ কেজি চালের স্থলে ৭/৮ কেজি চালের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়। চেয়ারম্যানকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য ২০২০ সালে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১১ বস্তা চাল চুরির ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় ৬ নং মামলায় ৩ জন আটক হয়েছিল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর