শামীম আল মামুন :
গাজীপুরের কালীগঞ্জের এক সৌদি আরব প্রবাসী। কয়েক বছর আগে লেবার ভিসা পারি জমান সৌদি আরবে। কয়েক বছরে গাজীপুর শহরে বহুতল ভবন। জায়গাজমি বাড়ি-গাড়ি রয়েছে বহুসংখ্যক। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে নানান গুঞ্জন। সৌদি আরব থেকে অবৈধ উপায়ে সোনা চুরা চালান করে এসকল অবৈধ অর্থের রাতারাতি মালিক হয়েছেন।
সরজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে জানাযায়, গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার মুক্তারপুর ইউনিয়নের বড়গাঁও গ্রামের মো. আবির হোসেন লেবার ভিসায় পাড়ি জমান সৌদি আরবে। বছর কয়েক যেতেই তিনি হয়ে উঠেন অটেল সম্পদের মালিক। রাতারাতি এত টাকার মালিক হয়ে গাজীপুর শহরের দক্ষিণ ছায়াবীথি এলাকায় গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল বহুতল ভবনে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গা তার নিকট আত্নীয় নামে রয়েছে অসংখ্য জমাজমি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, তিনি চোরাই পথে সৌদি আরব থেকে সোনা এনে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ মালিক হয়েছেন।
প্রবাসী আবির হোসেনের কয়েকজন প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা জানাযায়, আজ থেকে দশ বছর আগে তার সহায়সম্পদ বলতে ছিলো বসতভিটা। এছাড়াও তেমন কোন সহায়সম্পদ ছিলো প্রবাসী আবিরের। হঠাৎ করে বিলাসবহুল বহুতল ভবন বাড়ি-গাড়ি জমাজমি প্রচুর অর্থের বিষয়ে প্রশ্ন প্রতিবেশীদের।
অভিযুক্ত প্রবাসী আবির হোসেনের শ্বশুর বদিউজ্জামাল বলেন, বাসাবাড়ি করতে কত টাকা লাগছে সেসব বিষয়ে আমি বলতে পারবো না। আমি আমার সংসার দেখবাল করে। পাশাপাশি আছি বলে জামাইয়ের বাসার দেখবাল করছি। টাকার বিষয়ে বলতে পারবো না। আর সে কোন অবৈধ ব্যবসা করে না।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার বলেন, হঠাৎ করে অটেল সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়ে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। অনেকেই তার বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। আমি বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কতৃপক্ষের নজরে দিয়েছি।
প্রবাশী আবির হোসেনের মুঠোফোনে বলেন, আমি দীর্ঘ বছর যাবৎ সৌদি আরব থেকে হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করছি। আমি কোন ধরনের স্বর্ণ চোরা চালানের সঙ্গে যুক্ত নয়।