বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় আছেন নাসিমা আক্তার ( শিমু )  ব্রিতে কর্মজীবী সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কয়রায় আগুনে পুড়ে গেছে প্রতিবন্ধি আছিয়ার বসতবাড়ি সহ সহায় সম্পদ  শ্রীপুর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারীর পক্ষ থেকে মাওনা চৌরাস্তা ছিন্নমূলদের মাঝে ইফতার বিতরণ মোংলায় লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না থাকায় ৭ দোকানীকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা  ভেড়ামারায় সিএনজি–কাঁকড়া ট্রলি সংঘর্ষে নিহত ১ ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাজার মনিটরিং, জরিমানা আদায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর কাছে ধরা’র স্মারকলিপি  রংপুরের ডিসির সাথে ছয়টি আসনের নবনির্বাচিত এমপির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আইটিইউ-এর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বিশ্বের ১৭ কোটি মানুষকে সংযুক্ত করেছে হুয়াওয়ে

হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুটি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরিতুল্যাহ মাস্টারের নামে নামকরণের দাবিতে নদী পাড়ে মানববন্ধন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি মোঃ শিমুল মিয়া  / ৭৯ টাইম ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, জুলাই ২৯, ২০২৫, ১:৪৭ অপরাহ্ণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি মোঃ শিমুল মিয়া

 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুটি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরিতুল্যাহ মাস্টারের নামে নামকরণের দাবিতে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় তিস্তা ব্রীজ পয়েন্টে এক কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নামকরণ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শামীম মন্ডল, সদস্য সচিব শাহীন মিয়া, মুখপাত্র আমিন হোসেন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ছাত্র সমন্বয়ক নুর আলম মিয়া নুর, এনসিপির যুগ্ন আহবায়ক আজিজুর রহমান, অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, সমাজসেবক বাদল খান, সমাজসেবক নুরে আলম সিদ্দিক, বাদশা মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মধ্যবর্তী তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত এ সেতুটি বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯৫ সাল থেকে শরিতুল্যাহ মাস্টার নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। উপহাস ও নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি তিন দশক ধরে আন্দোলন চালিয়ে যান। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তাঁর এই প্রচেষ্টা আজ সফল হয়েছে। তারা আরও বলেন, সেতুটি নির্মিত হওয়ার আগে তিস্তা নদী পারাপারে স্থানীয় মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে শরিতুল্যাহ মাস্টার ‘তিস্তা সেতু বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করেন এবং জনসাধারণের কাছে সেতুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তাঁর নেতৃত্ব, প্রচেষ্টা এবং জনগণের সাড়া মিলিয়ে অবশেষে সেতু বাস্তবায়িত হয়। এটি শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, বরং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা বলেন, এই সেতু কেবল একটি অবকাঠামো নয়; এটি শরিতুল্যাহ মাস্টারের তিন দশকের স্বপ্ন, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তার অবদান তুলে ধরতে সেতুটির নামকরণ ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ করার জোর দাবি জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর