সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
বগুড়ার শেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকচাপায় ফায়ার ফাইটার নিহত, পৃথক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ২   একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিতে অপোর ‘২১-এর চেতনায় ২১ টাকায় ফোন’ ক্যাম্পেইন চালু ভেড়ামারায় দোকানে ভাঙরচুর, লুটপাট ও মিথ্যা মামলা করার দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন  রংপুর ৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও ভোট গননার দাবিতে শ্রীপুরের রাজনীতিতে আস্থার নাম: বিল্লাল হোসেন বেপারী কাশিমপুরে নির্মানের পরে ধসে পড়ল প্রায় ৩০ মিটার সড়ক দল নয়. পরিচয় নয় ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোই আমার একমাত্র লক্ষ্য ডা. মোতাছিম বিল্লাহ আলম শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ভেড়ামারায় নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন  কোনাবাড়ীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ভাড়াটিয়া দম্পতির উপর হামলার অভিযোগ

৫ বছরে রাঙ্গার অর্থ বেড়েছে ৬ গুণ

রিপোর্টারের নাম / ৩৫৪ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২৩, ৯:৩১ অপরাহ্ণ

রিয়াজুল হক সাগর,রংপুর প্রতিনিধি:

 

 

জাতীয় পার্টির বহিস্কৃত মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গার নগদ অর্থের পরিমান গত ৫ বছরে বেড়েছে ৬ গুণের বেশি। সে সাথে জমিসহ স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণও বেড়েছে তাঁর। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়া হলফনামায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ আসন থেকে মসিউর রহমান রাঙ্গা নির্বাচিত হয়েছিলেন। একই আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। নির্বাচনী মনোনয়নপত্রে প্রদত্ত হলফনামার তথ্য মতে ২০১৮ সালে তার নগদ অর্থ ছিল ২৭ লাখ ৮ হাজার ৫৪৬ টাকা। গত ৫ বছরে তা বেড়ে ২০২৩ সালে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৬ হাজার ৬২৮ টাকায়। এ ছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৫ বছর আগে জমা না থাকলেও এবার জমা রয়েছে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ টাকা। ২০১৮ সালের হলফ নামায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ছিল ৮৯ লাখ ৫৬ হাজার ৯৩৪ টাকা। এবারে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ২ কোটি ১ লাখ ৪ হাজার ২১৫ টাকা। গত ৫ বছরে বেড়েছে জমিসহ স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণও। ২০১৮ সালের হলফনামায় জমির পরিমান ১২ একর ৩৩ শতক দেখানো হয়েছিল। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ একর ৫৪ শতকে। আর পাঁচ বছর আগে কৃষি, অকৃষি জমি, আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, বাগান ও খামারের মূল্য ও আয় ছিল ৩ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার ২৭৫ টাকা। এবারে সে আয় বেড়ে হয়েছে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৬৩৬ টাকা। ২০১৮ সালে ব্যাংক ঋণ দেখানো হয়েছিল ৯৩ লাখ ৫৩ হাজার ৪১৫ টাকা। এবারের হলফনামায় ব্যাংক ঋণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৭ টাকা। আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে- কৃষিখাত, বাড়ি-দোকান ভাড়া, ব্যবসা, চাকুরী শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর