মাহমুদুল হাসান চন্দন ভেরামারা প্রতিনিধি
আর মাত্র এক মাস পর পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। প্রতিবছর রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব একটা দেখা যায় না।
বাজারে আমন মৌসুমের নতুন চাল আসতে শুরু করলেও পুরোনো চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা। ভেড়ামারার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন মাঝারি চাল (বিআর-২৮, বিআর-২৯ ও পাইজাম) বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। তবে একই মানের পুরোনো চালের দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।
মিনিকেট চালের দামও বেড়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭২ থেকে ৮৬ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ৪ থেকে ৫ টাকা কম ছিল। নাজিরশাইল চালের দামও বেড়েছে। দেশি নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭২ থেকে ৮৫ টাকায়, যা ১০ দিন আগে ছিল ৭০ থেকে ৮২ টাকা। আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকায়।
দোকানীরা জানান, নতুন মৌসুমের চাল বাজারে এলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আগেই পুরোনো চালের দাম বেড়েছে। এতে রমজানে চালের বাজার আরও চড়া থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এদিকে চিনি ও ডালজাতীয় পণ্যের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১০০ টাকায়, আর প্যাকেট চিনি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়।
অ্যাংকর ডালের কেজি এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়, তবে মোটা দানার মসুর ডালের দাম স্থিতিশীল থেকে ১০০ টাকায় রয়েছে।দীর্ঘদিন পর মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১০ থেকে ১৫ টাকা।সোনালি জাতের মুরগির কেজি দর ২৮০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
রোজার আগে নিত্যপণ্যের বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধিতে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।