ফারুক হোসাইন জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট
লালমনিরহাট – ২ আসন (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ০৪ লাখ ২৬ হাজার ১৭৯ জন। তন্মধ্যে কালীগঞ্জে ভোটার সংখ্যা ০২ লাখ ২২ হাজার এবং আদিতমারীর ভোটার সংখ্যা ০২ লাখ চার হাজার ১৭৯ জন। এবারে অংশগ্রহণ করেছেন মোট ৮ জন প্রার্থী। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে এ আসনটি জাপার সাবেক এমপি মজিবুর রহমানের দখলে ছিল।
তিনি পরপর সাতবার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে এ আসনের দৃশ্যপট পাল্টে যায়। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন মহাজোট প্রার্থী ও কালীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান আহমেদ এ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের বিতর্কিত রাতের ভোটেও বিএনপির প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুলের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে এমপি নির্বাচিত হন নুরুজ্জামান আহমেদ। তিনি প্রথমে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হন।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু স্বতন্ত্র প্রার্থী মনতাজ আলী শান্ত জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অবঃ) শামীম কামাল
অনেক আগে থেকেই মাঠ গরম করে রেখেছেন। এ আসনে বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও জামায়াতের ফিরোজ হায়দার লাভলু ছিলো বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়া ২৫-১২-২৫ ইং দেশে আশার পর স্থানীয় সুশীল সমাজ বলছেন জামায়াত সরকার গঠন করতে পারবে কি না তা নিয়ে সমর্থকরা হতাশ।
এদিকে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে নির্বাচনের এ আসনটিতে অনেক এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী শান্ত। তিনি শতভাগ আশা করছেন এবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে মহান সংসদের একজন গর্বিত প্রতিনিধি হবেন তিনি। এ আসনের ভোটারগণও চাইছেন নতুন প্রজন্মে নতুন মুখ।
জনমতের জরিপে দেখা যাচ্ছে মমতাজ আলী শান্ত অনেকটাই এগিয়ে আছেন ভোটের মাঠে। এই এগিয়ে থাকা থেকেই হয়তো বিজয়ের মালা উঠতে পারে এই স্বতন্ত্র প্রার্থী জনাব মমতাজ আলী শান্তর গলায়। কারণঃ-দালাল ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে সহযোগিতার জন্য গেলে কেউ ফেরৎ আসেনি খালি হাতে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে মমতাজ আলী শান্ত অনেক বড় মনের মানুষ। সব সময় মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলেন। কালীগঞ্জ ও আদিতমারীর মানুষের সাথে তিনি দীর্ঘদিন থেকে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছেন। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি ভাইরাল আর অন্যান্য প্রার্থীদের দেখা ও পাওয়া যায় না, ফোনও ধরেনা, দেখা পাওয়া কষ্টের বিষয় এবং তাদের আর্থিকভাবে সহায়তার হাত দৃশ্যমান নয়।
স্থানীয় যুব সমাজের দাবি, মমতাজ আলী শান্ত ভাই বিভিন্ন দেশে ব্যবসা- বাণিজ্য করে আসছেন। তিনি এই আসনে নির্বাচিত হলে তিনি একজন তরুণ যুবক, তিনি যুবসমাজের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে পারবেন। তিনি নির্বাচিত হলে যুব সমাজে বেকারত্ব থাকবে না। তিনি যুব সমাজের উন্নয়নে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছেন। শান্ত ভাই কিন্তু অতিথি পাখি না শুধু ভোটের সময় আসবে। তাই চারদিকে তার জয়ের সম্ভাবনা নিশ্চিত এবং তিনি ভোটের মাঠে এগিয়ে আছেন। জনমনে মমতাজ আলী শান্ত ভাইয়ের নামটি দুলছে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী শান্ত জানিয়েছেন, কালীগঞ্জ ও আদিতমারীর সম্মানিত ভোটার গণের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন। তারুণ্যের শক্তি আগামীর বাংলাদেশের সমৃদ্ধি এই স্লোগান কে কাজে লাগিয়ে এলাকার তরুণদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাব।