লেখক, মোহাম্মদ আলী (বি.কম)।
কেন এমন হলো,
বাবা-মা আমায় রেখে,
কবরে চলে গেল।
বাবা-মা তোমাদের,
কতই না স্বপ্ন ছিল।
তোমাদের ছোট্ট আলী,
একদিন অনেক বড় হবে,
মানবতার কল্যাণে,
কাজ করে ধন্য হবে,
তোমাদের মুখে,
সুনামের হাসি ফোটাবে,
গৌরবে আর প্রশংসায়,
মুখ উজ্জ্বল করবে,
তোমাদের স্বপ্ন পূর্ণ হবে।
জান বাবা-মা,
তোমাদের ছোট্ট আলী,
আজ অনেক বড় হয়েছে,
কবিতা লিখে,গল্প লিখে,
মানবতার কল্যাণে,
মানুষের দ্বারে ছুটে যাই,
মানবতার গান গাই।
অসংখ্য মানুষের ভিড়ে,
সর্বদা এই দু-চোখ,শুধু,
বাবা-মা তোমাদেরকে,
খুঁজে বেড়ায়।
তোমাদের হাসিমাখা,
মুখখানা দেখিতে চাই,
তোমাদের আদর,সোহাগ,
ভালবাসা আর সঙ্গ পেতে চায়।
কিন্তু কোথাও যে,
বাবা-মা তোমাদেরকে,
খুঁজে আর না পাই।
আমি কি যে করি হায়,
বাবা-মা তোমাদের বিহনে,
বেঁচে থাকার,
কোন উপায় যে,
আমি আর খুঁজে না পাই।
তাইত বারবার,
তোমাদের কবরে ছুটে যাই,
তোমরা ঘুমিয়ে আছ তাই।
ঘুমের বিঘ্ন হবে,
এই কথা ভেবে,
দু-চোখ মুছতে মুছতে,
হৃদয়ের কষ্টের যন্ত্রণায়,
অস্থির অস্থির,
পাগলামিতে ফিরে আয়,
আর বারবার তোমাদের,
কবরের দিকে ফিরে তাকাই,
কত যে মানসিক যন্ত্রণা পায়,
বাবা-মা তাহা তোমাদেরকে,
কি করে বোঝাই।
মানুষের অসংখ্য শ্রদ্ধা,সম্মান,
আর ভালবাসা আমি পাই।
কিন্তুু ইহাতে যে,
আমি মানসিক তৃপ্তি না পাই,
এই মন শুধু তোমাদেরই,
ভালবাসা আর সঙ্গ চাই।
এই সংবাদ তোমাদেরকে,
কি করে জানাই,
কোন রাস্তা,
আমি আর খুঁজে না পাই।
এই যন্ত্রণায় আমি,
ছটফট করে চোখের জলে,
শুধু বুক বিঝায়,
আর মানসিক কষ্ট পায়।
যেই দিকেই তাকাই,
তোমাদের হাসি মাখা,
মুখখানা দেখিতে পায়,
দু-হাত উজার করে,
হাসিমুখে মধুর কন্ঠে,
ডাকিতেছ আমায়,
খোকা কাছে আয়,
খোকা বুকে আয়।
বাবা-মা কিভাবে তাহা,
তোমাদেরকে বোঝাই।
বাবা-মা তোমাদের বিহনে,
কিছুই ভাল লাগে না আমায়।